header banner
Unable to load live videos at this time.
Photo Booth
featured
featured
featured
featured

আন্তর্জাতিক

আরো পড়ুন

Donald Trump: গাজার শান্তিকমিটি থেকে কানাডাকে বাদ দিলেন ট্রাম্প! কেন জানেন?

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: কানাডার উপর বেজায় চেটেছে ট্রাম্প। ফলে গজার জন্য তিনি যে শান্তি কমিটি গঠন করতে চলেছেন, সেই কমিটিতে কানাডাকে আমন্ত্রণ জানিয়েও তা প্রত্যাহার করেছেন। সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’-এর মঞ্চে কথা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর সেই আমন্ত্রণই বাতিল করা হল।বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিবাদ সমাধানের লক্ষ্যে একটি শান্তি পর্ষদ গঠন করছে আমেরিকা। তাতে যোগ দেওয়ার জন্য একাধিক দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। কানাডাও সেই আমন্ত্রণ পেয়েছিল। কিন্তু দাভোসে সরাসরি ট্রাম্পকে নানা বিষয়ে আক্রমণ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্কযুদ্ধ এবং গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ও ছিল। কার্নে স্পষ্ট জানান, ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর দেশ কোনও অর্থ দিতে পারবে না। আমেরিকার নেতৃত্বে বিশ্ব ব্যবস্থায় ভাঙন ধরেছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন কার্নে। তাঁর এই মন্তব্যে অনেকে সমর্থনও করেছিলেন। উঠে দাঁড়িয়ে হাততালিও দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, ‘বোর্ড অফস পিস’-এ যোগ দিলে প্রাথমিক ভাবে তিন বছরের সদস্যপদ পাওয়া যাবে। {link}   ১০০ কোটি ডলার খরচ করলে মিলবে স্থায়ী সদস্যপদ। এতেই বেজায় চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে কার্নের উদ্দেশে লিখেছেন, “বোর্ড অফ পিস-এ কানাডার যোগদানের জন্য যে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আগামী দিনে এই পর্ষদ বিশ্বনেতাদের কাছে অত্যন্ত সম্মানজনক একটি বোর্ড হয়ে উঠবে।” ট্রাম্পের সংযোজন, “কানাডা আমেরিকার জন্যই বেঁচে আছে। মার্ক, এর পর থেকে কোনও মন্তব্য করার আগে এটা মনে রেখো।’’ কার্নেও জবাবে বলেন, ‘‘কানাডা আমেরিকার জন্য বেঁচে নেই। কানাডিয়ানদের জন্যই কানাডা সমৃদ্ধ হচ্ছে।’’ ফলে প্রবল ক্ষুব্ধ কানাডা। {ads}

article thumbnail

Bangladesh: পড়শি দেশে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার শঙ্কা? জেনে নিন

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য আধিকারিকদের পরিবারের লোকজনকে দ্রুত ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল ভারত সরকার। কেন এই নির্দেশ? প্রশ্ন সকলের মনেই। সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে পিটিআই-এর তরফে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে এটাও জানানো হয়েছে, আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হলেও বাংলাদেশে ভারতের দূতাবাস ও অন্যান্য সব কেন্দ্রই খোলা থাকবে। কিন্তু কেন হঠাৎ এমন নির্দেশ দিল বিদেশমন্ত্রক? জানা যাচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সরগরম গোটা বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশজুড়ে বাড়তে থাকা মৌলবাদের দাপাদাপি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলে সেখানে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।  {link}   এই পরিস্থিতিতে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র। যার জেরেই এই নির্দেশ বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের প্রাক্কালে ইনকিলাব মঞ্চের প্রধান ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তেতে রয়েছে গোটা বাংলাদেশ। অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে উপদেষ্টা সরকারকে চরম সময়সীমা দিয়ে দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। পাশাপাশি ভয়ংকরভাবে সেদেশে বেড়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার। গণপিটুনির পর নৃশংসভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে ময়মনসিংয়ের হিন্দু যুবক দীপু দাসকে। এর পর থেকে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে হিংসার বলি হয়েছেন বহু হিন্দু ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিক। গোটা পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়েই এবার আগাম সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ করল বিদেশমন্ত্রক। বোঝা যাচ্ছে আবার বাংলাদেশে ভারত বিরোধী আন্দোলন শুরু হতে পারে। {ads}

article thumbnail

Iran Unrest: ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে মৃতের সংখ্যা! জ্বলছে ইরানের রাজপথ

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়াবহ অবস্থা। ইরানে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশে গণবিক্ষোভের জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১ হাজার মানুষের। কিন্তু সংখ্যাটা আসলে ১৬ হাজারেরও বেশি! এমনটাই দাবি করা হয়েছে একটি রিপোর্টে। পাশাপাশি, বর্ণনা করা হয়েছে খামেনেইয়ের ভয়াবহ দমননীতির কথা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’ সম্প্রতি কথা বলেছেন ইরানের বহু চিকিৎসকে সঙ্গে। এরপরই তারা একটি রিপোট প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইরানে মৃতের হয়েছে অন্তত ১৬ হাজার ৫০০। আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ। আমির পারাস্তা নামে এক ইরানি চিকিৎসক  মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিক্ষোভ দমাতে প্রাথমিকভাবে রবার বুলেট ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু এখন খামেনেইয়ের নির্দেশে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী নাগরিকদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাস্ত্র প্রয়োগ করছে। দেখা মাত্রই আন্দোলনকারীদের মাথায় গুলি করছে তারা। ব্যবহার করা হচ্ছে রাইফেল এবং মেশিন গান। ফলে বহু মানুষের মাথা, কাঁধ, বুক ফুঁড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে গুলি। রক্তাক্ত রাজপথ। {link}   আশান্ত ইরানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। তবে সেখানে বিনামূল্যে পরিষেবা দিচ্ছে এলন মাস্কের স্টারলিঙ্ক। তার মাধ্যমেই আমির ওই মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। আমির একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। তাঁর দাবি, গুলির আঘাতে চোখ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ১৬ থেকে ১৮ হাজার মানুষের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে বহু শিশু এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলারাও। পাশাপাশি, রক্তের অভাবেও প্রাণ হারাচ্ছেন বহু মানুষ। রোগীর ভিড়ে উপচে পড়ছে হাসপাতালগুলি। কিন্তু তা-ও অব্যাহত খামেনেইয়ের দমননীতি। ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। {ads}

article thumbnail

Indonesia Accident: ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা! নিখোঁজ ১১

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার ওড়ার পরই নিখোঁজ হয়ে যায় ইন্দোনেশিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমান। অবশেষে পাওয়া গেল এই বিমানের ধ্বংসাবশেষ। রবিবার আধিকারিকরা এই খবর জানিয়েছেন। মেঘলা আবহাওয়ার মধ্যে মাকাসার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সময় টার্বোপ্রপ এটিআর ৪২-৫০০ বিমানটির সঙ্গে এটিসি-র যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর প্রায় একদিন পরে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছে। রবিবার সকালে স্থানীয় অনুসন্ধান দল এবং বিমান কর্মীরা মারোস অঞ্চলের মাউন্ট বুলুসারাউং-এর ঢালে বিমানের টুকরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেন। জানা গিয়েছে, ধ্বংসাবশেষের মধ্যে বিমানের একটি ছোট জানালা, বিমানের কিছু অংশ এবং বিমানের লেজের অংশ পাওয়া যায়। এই ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হওয়ায় বাকি অংশ উদ্ধার করা অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। {link}  এই সাফল্য সত্ত্বেও, উদ্ধারকারীরা কঠিন ভূখণ্ড, ঘন কুয়াশা এবং তীব্র হাওয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এরফলে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়েছে। এই কারণেই ধ্বংসাবশেষ কিছুটা পাওয়া গেলেও পুরোটা খুজে পেতে বেশি কিছুটা সময় লাগবে। জানা গিয়েছে, এটিআর ৪২-৫০০ নামে ওই উড়ানটি শনিবার বেলায় ইন্দোনেশিয়ার যোগকার্তা থেকে মাকাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছুক্ষণ পর আচমকা সেটির সঙ্গে যাবতীয় যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। উড়ানটিতে ‘ত্রু’ সমেত মোট ১১ জন যাত্রী ছিলেন। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সরকারিভাবে এখনও ওই বিমানসংস্থা কিছুই জানায়নি। {ads}

article thumbnail

Donald Trump: ঘুরপথে ট্রাম্পের হাতে এলো নোবেল পুরস্কার! কিন্তু, মর্যাদা কী আদৌ পেলেন তিনি?

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: এভাবেও যদি নোবেল পাওয়া যায়, তাহলে তো বেশ মজার। তবে তাতে কি সম্মান থাকে? ট্রাম্প এতদিন দাবি করে এসেছেন, তিনি বেশ কয়েকটা যুদ্ধ থামিয়েছে। তাই এবছর তার  শান্তিতে নোবেল পাওয়ার উচিত। কিন্তু তিনি পান নি। পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এবার সেই মারিয়া পেয়েছেন শান্তিতে নোবেল। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই সময়েই নোবেল শান্তি পুরস্কারটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন মাচাদো। নোবেল পদক হাতে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এক পোস্টে তিনি জানান, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের নোবেল প্রাইজ পাওয়া নিয়ে গত বছর ধরেই চলছে জোর চর্চা ৷ কিন্তু সেই আশা তাঁর পূরণ হয়নি ৷ অবশেষে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! তবে এই পুরস্কার তাঁর নিজের অর্জন নয়। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো নিজের নোবেল পুরস্কার তুলে দিলেন ট্রাম্পের হাতে। আগেই অবশ্য নিজের এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এমনকি, ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েই তিনি তা ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে ওই পুরস্কার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দিয়ে এলেন তিনি।  {link}   কী কারণে তিনি নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পকে দিয়ে দিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মাচাদো। তাঁর ব্যাখ্যা, ভেনেজ়ুয়েলায় ‘স্বাধীনতা’ ফেরানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার জন্য তিনি ওই পুরস্কার ট্রাম্পকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বৈঠক করেন মাচাদো। বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান মাচাদো। মাচাদোর সঙ্গে বৈঠকের পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। মাচাদোর প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, “উনি দারুণ এক জন মহিলা। আমার কাজের জন্য মারিয়া ওঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার আমাকে দিয়ে দিয়েছেন। পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটা দারুণ নজির এটা। ধন্যবাদ মারিয়া।” ট্রাম্পের পোস্টের পর হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, এখন থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পের কাছেই থাকবে। এখন প্রশ্ন উঠেছে এই নোবেলের সম্মান কতটা? নোবেল কমিটি যখন দেয় নি, তখন এই পদক মোটেই তার জন্য খুব সম্মানের নয়। {ads}

article thumbnail

Iran Update: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ইরান! ভারতীয়দের দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দূতাবাসের

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ইরান জ্বলছে বিদ্রোহের আগুনে। ইজরাইল ও আমেরিকার ক্রমাগত চাপ। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে ইরান ছাড়তে ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ দিল তেহরানের দূতাবাস। আয়াতোল্লা খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল ইরানের আমজনতা। সেই প্রতিবাদ ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। এবার ইরান থেকে ভারতীয়দের চলে যেতে নির্দেশ দিল দূতাবাস। ইরান ছাড়ার জন্য জরুরি নথিপত্রও হাতের কাছে রাখতে বলা হয়েছে ভারতীয়দের। বুধবার ইরানের ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা। সেখানে বলা হয়েছে, ‘বর্তমানে ইরানে থাকা সকল ভারতীয় নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে তাঁরা যেন নিজেদের পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র এবং অভিবাসন সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র নিজেদের হাতের কাছে তৈরি রাখেন। যেকোনও সমস্যায় তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগযোগ করতেও বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। {link}    বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে হবে ভারতীয়দের। হেল্পলাইন নম্বর এবং ইমেলও দেওয়া হয়েছে দূতাবাসের তরফ থেকে। তবে নির্দেশিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা, অবিলম্বে ইরান ছাড়ুন ভারতীয়রা। বলা হয়েছে, ‘ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ভারতীয় নাগরিকদের বলা হচ্ছে, যেভাবে সম্ভব ইরান ছাড়ুন। পড়ুয়া, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী, পর্যটক-যে কারণেই ইরানে গিয়ে থাকুন না কেন তাঁরা ইরান ছাড়ুন। বর্তমানে বিমান পরিষেবা চালু রয়েছে। তাই সেসব বিমানে চেপেই যেভাবে হোক ইরান থেকে অন্যত্র চলে যেতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে ভারতীয়দের। {ads}

article thumbnail

সুস্বাস্থ্য

আরো পড়ুন

Health Tips: সাতসকালের এই বদ-অভ্যাসের কারণেই দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছেন! সাবধান না হলে বড় ক্ষতির শঙ্কা

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: সময় থেমে থাকে না, বয়স বাড়বেই—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বয়স বাড়ার ছাপ যে অকালেই মুখে–শরীরে ফুটে উঠছে, তার দায় অনেকটাই আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসের। বিশেষ করে সাতসকালের কয়েকটি ভুল রুটিন শরীরের মেটাবলিজম, হরমোন ও ত্বকের উপর এমন প্রভাব ফেলে, যা আপনাকে বয়সের তুলনায় অনেক বেশি বয়স্ক দেখাতে পারে। তাই জেনে নেওয়া জরুরি—কোন কোন অভ্যাস একধাক্কায় বাড়িয়ে দেয় বয়স। {link} সকালে খালি পেটে দীর্ঘ সময় থাকা শরীরের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলির একটি। এতে স্ট্রেস হরমোন কার্টিজল বেড়ে যায়, কমে মেটাবলিজম ও এনার্জি লেভেল—প্রভাব পড়ে ত্বকেও। ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই ফোনে চোখ রাখা দ্বিতীয় বড় বিপদ। নীল আলো ও নেতিবাচক খবর মস্তিষ্কে চাপ বাড়ায়, মনকে ক্লান্ত করে তোলে। একই সঙ্গে খালি পেটে কফি খাওয়ার অভ্যাসও ত্বকের বারোটা বাজাতে পারে—ডিহাইড্রেশন বাড়ে, ত্বক দ্রুত নিষ্প্রভ ও বলিরেখাযুক্ত হয়ে ওঠে। {link} এর সঙ্গে যুক্ত হয় দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস। ভোরের সূর্যের মৃদু আলো শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়ি ঠিক রাখে, ভিটামিন ডি উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ত্বক–হাড়ের জন্য ভীষণ উপকারী। নিয়মিত সূর্যের আলো এড়িয়ে চললে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ক্লান্তি ও বয়সের ছাপ দ্রুত ফুটে ওঠে। তাই বয়সকে যতটা সম্ভব ‘ধীরে’ এগোতে দিতে চাইলে—সকালে প্রাতঃরাশ মিস নয়, ফোন ও কফি নয়, আর ভোরের আলোকে বন্ধু করাই হোক আপনার প্রথম কাজ। {ads}

article thumbnail

Horoscope Today: আজকের দিনটি কেমন যাবে? জেনে নিন আপনার রাশিফল

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ: অসীম জীবনের সমৃদ্ধশালী জাঁকজমক উপভোগ করে আপনার জীবনকে আরো মহিমান্বিত করে তুলুন। দুশ্চিন্তার অনুপস্থিতি এই দিশায় প্রথম পদক্ষেপ। আপনার কাছে মানুষের কি প্রয়োজন এবং আপনার কাছ থেকে তারা কি চায় তা জানার চেষ্টা করুন- কিন্তু আজ আপনার খরচ খুব বেশি না হয় সেই চেষ্টা করুন। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে।  বৃষভ: কাজে এবং ঘরে কিছু চাপ আপনাকে খিটখিটে করে তুলবে। আজ আপনার মা বা বাবার স্বাস্থ্যের জন্য আপনাকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। এটি যদিও আপনার আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটাবে তবে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। বাড়ির সমস্যায় তৎক্ষণাৎ মনোযোগ দেওয়া দরকার। আজ আপনি আপনার জীবনে প্রকৃত ভালোবাসার অভাব বোধ করবেন। চিন্তা করবেন না, সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই পাল্টায়, আপনার প্রেমজ জীবনও পাল্টাবে।  মিথুন: আজ আপনাকে বিভিন্ন উত্তেজনা এবং মতভেদের সামনা করতে হতে পারে যা আপনি অস্বস্তিকর এবং উত্যক্ত বোধ করাবে। যদি আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে চিন্তাভাবনা করে অর্থ ব্যয় করুন, যেহেতু আপনার অর্থের ক্ষতি হতে পারে। আপনি আপনার পরিবারের জন্য কতটা যত্ন করেন তা উপলব্ধি করার জন্য তাদেরকে মৌখিক এবং অমৌখিক বার্তা দেওয়া বজায় রাখুন। খুশি দ্বিগুণ করার জন্য আপনার যথেষ্ট সময় কাটান। কর্কট: নিজেকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে উচ্চ ক্যালোরির খাবার এড়িয়ে চলুন। আজ অর্থের আগমন আপনাকে অনেক আর্থিক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পারে। কর্মস্থানে আপনি অত্যধিক ধকল নেওয়ায় পারিবারিক চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তাগুলি অবহেলিত হবে। আজ আপনি আপনার বন্ধুর অনুপস্থিতিতে আপনি তাঁর সৌরভ অনুভব করবেন।  সিংহ: আপনার আশা একটি সুন্দর কোমল সুগন্ধি এবং উজ্জ্বল ফুলের মত প্রস্ফুটিত হবে। আপনি একটি উত্তেজনাপূর্ণ নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন- যা আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে পারে। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে। মেজাজ নষ্ট করা এড়াতে তার অনুমতি নিন। আপনি সহজেই সমস্যা এড়াতে পারবেন। আপনার প্রাণের বন্ধু সমস্ত দিন আপনি সম্পর্কে চিন্তা করবে। সৃজনশীল চাকরি সম্পন্ন নেটিভরা আজ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।  কন্যা: স্বাস্হ্যের দিক দিয়ে এই সময়কালটি মন্দ যাবে, কাজেই আপনি কি খাচ্ছেন সে ব্যাপারে সতর্ক হোন। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। কারোর জন্য- পরিবারে নতুন একজনের আগমন উৎসব এবং অনুষ্ঠানের মূহুর্ত বয়ে আনবে। আপনার প্রেমিকাকে আজ কোনও অভিমানের কথা বলবেন না। সন্তোষজনক ফলাফল পেতে সুন্দরভাবে সবকিছু পরিকল্পনা করুন- অফিসের সমস্যা দূর করার চেষ্টা করতে গেলে আপনার মনে উত্তেজনার মেঘ নিয়ে আসবে।  তুলা: আপনার মুগ্ধকারী আচরণ মনোযোগ আকর্ষণ করবে। যে লোকেরা জমি কিনেছিল এবং এখন এটি বিক্রি করতে চায় তারা আজ একজন ভাল ক্রেতার কাছে আসতে পারে এবং এর জন্য খুব ভাল পরিমাণ অর্জন করতে পারে। আপনাকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনার রাগকে দমন করতে হবে এবং পারিবারিক পরিবেশকে দূষিত হতে দেবেন না। আজ আপনার ভালোবাসার মানুষটির অনুভূতি বুঝুন।  {link} বৃশ্চিক: আনন্দদায়র সফর এবং সামাজিক জমায়োত আপনাকে ভারমুক্ত এবং খুশি করে রাখবে। অর্থ সাশ্রয়ের আপনার প্রচেষ্টা আজ ব্যর্থ হতে পারে। যদিও আপনাকে এটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, কারণ পরিস্থিতি শীঘ্রই উন্নতি হবে। অবিলম্বে আপনার বাড়ির চারপাশে কিছু পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করা প্রয়োজন। কাউকে তার প্রেমে সাফল্য দৃশ্যায়িত করতে সাহায্য করুন। আজকে আপনি অফিসে ভালো ফলাফল পাবেন না।আপনার বিশেষ কেউ আজ আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে।এই কারণে আজ আপনি সারাদিন সমস্যার মধ্যে থাকতে পারেন।  ধনু: কর্মব্যস্ত দিন হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্হ্য সুন্দর থাকবে। আজ, আপনি ত্রুটিযুক্ত বৈদ্যুতিন আইটেমটি ঠিক করার জন্য আপনার অর্থ ব্যয় করতে পারেন। আপনার জ্ঞান এবং উত্তম রসবোধ আপনার চারপাশের মানুষের মনে রেখাপাত করতে পারে। আপনি যদি চান যে আপনার প্রেমের জীবনটি দৃড় এবং সমৃদ্ধ থাকে, তবে কোনও তৃতীয় ব্যক্তির কথা শুনে আপনার প্রেমিক সম্পর্কে অভিনয় বা মতামত তৈরি করবেন না। মকর: রক্তচাপের রোগীরা তাদের রক্তচাপ কমানো এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রেড ওয়াইনের সাহায্য নিতে পারেন। এটি তাদের আরো আরাম দেবে। আর্থিকভাবে, আপনি সবল থাকবে। গ্রহ এবং নক্ষত্রের উপকারী স্থানের কারণে আপনি আজ অর্থ উপার্জনের অসংখ্য সুযোগ পেয়ে যাবেন। পারিবারিক সদস্যরা আপনার প্রত্যাশা পূরণ নাও করতে পারে। কুম্ভ: আপনার দয়ালু স্বভাব আজ অনেক খুশির মুহূর্ত বয়ে আনবে। আজ আর্থিক ক্ষতি হবে বলে মনে হচ্ছে যদি আপনি অন্যদের কথা মেনে বিনিয়োগ করেন। আপনার পরিবারের সাথে সামাজিক ক্রিয়াকলাপ প্রত্যেককে এক হালকা এবং আনন্দদায়ক মেজাজে রাখবে। আবেগজনিত ঝামেলা আপনাকে বিপদে ফেলবে। মীন: স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অবহেলা করবেন না, বিশেষ করে মদ্যপান এড়িয়ে চলুন। আপনি যদি বাড়ি থেকে দূরে থেকে কাজ

article thumbnail

Horoscope Today: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী রয়েছে? পড়ে নিন বিস্তারিত

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ রাশিফল: বহিরাঙ্গণ খেলাধূলা আপনাকে আকর্ষণ করবে- ধ্যান এবং যোগ লাভজনক হবে। নিযুক্ত যারা নিযুক্ত তারা একটি টেকসই পরিমাণ প্রয়োজন, কিন্তু অতীতে করা অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কারণে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকবে না। বন্ধুরা আপনি যা প্রত্যাশা করবেন তার থেকেও বেশি সহায়ক হবে।  বৃষভ রাশিফল: অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার সুযোগ বেশী যা আপনাকে প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলাতে অংশ নিতে সাহায্য করবে। এই রাশিচক্রের সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত ব্যবসায়ীদের আজকের অর্থটি খুব চিন্তা করেই বিনিয়োগ করতে হবে। পারিবারিক উত্তেজনায় আপনার মনোযোগ ভ্রষ্ট হতে দেবেন না। দুঃসময় আমাদেরকে অনেক বেশি কিছু দেয়।  মিথুন রাশিফল: ভাগ্যের ওপর নির্ভর করবেন না এবং স্বাস্থ্যের ব্যাপারটা ভাগ্যের হাতে ছাড়বেন না যে ভাগ্যদেবী অলস বলে তা আপনার কোনোদিন হবে না। নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে আর স্বাস্থ্যোদ্ধার করতে এখনই শরীরচর্চা শুরু করে দিন। নতুন চুক্তিগুলি লাভজনক মনে হতে পারে কিন্তু আকাঙ্খিত অনুযায়ী লাভ আনবে না- আর্থিক বিনিয়োগের সময় কোন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না। কর্কট রাশিফল: আপনার ব্যাধি অসুখীর কারণ হতে পারে। পরিবারে সুখ ফিরিয়ে আনতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা অতিক্রম করার চেষ্টা করুন। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। বন্ধু এবং একইভাবে অচেনা ব্যক্তিদের থেকে সাবধান হোন। আজ, আপনি আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে ভাগ করে নিতে চাইবেন।  সিংহ রাশিফল: ভ্রমণ-ভোজ এবং আনন্দ আপনাকে আজ এক ভালো মেজাজে রাখবে। আপনি আজ ব্যবসায় প্রচুর লাভ অর্জন করতে পারেন। আপনি আজ আপনার ব্যবসায় নতুন উচ্চতা দিতে পারেন। যদি আপনি আপনার কমনীয়তা এবং বুদ্ধি ব্যবহার করেন তাহলে আপনি মানুষদের আপনার নিজের পথে নিয়ে আসতে পারবেন।  {link} কন্যা রাশিফল: আজ আপনি হালকা বোধ করবেন এবং উপভোগ করার সঠিক মেজাজে থাকবেন। আপনার সন্তানদের কারণে আজ আপনি অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে পারেন। এটি আপনাকে খুব আনন্দিত করবে। আপনার অত্যধিক শক্তি এবং অসাধারণ উদ্যম আপনার অনুকূলে ফলাফল আনতে পারে এবং গার্হস্থ্য উত্তেজনা প্রশমিত করতে পারে।  তুলা রাশিফল: অত্যধিক দুশ্চিন্তা আপনার মানসিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।এটি এড়িয়ে চলুন, যেহেতু উদ্বেগ,বদমেজাজ এবং দুশ্চিন্তার অল্পস্বল্পও শরীরকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার পরিবারের কোনও সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে আপনি আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।  বৃশ্চিক রাশিফল: আপনি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। আপনি কমিশন- ডিভিডেন্ট- বা রয়্যালটি থেকে বেনিফিট পাবেন। বন্ধুরা সন্ধ্যেবেলার জন্য আকর্ষণীয় কিছু পরিকল্পনা করে আপনার দিনটি উজ্জ্বল করে তুলবে। আপনি প্রেমময় মেজাজের মধ্যে আছেন- তাই আপনি এবং আপনার প্রি়য়জনের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিশ্চিতভাবে করুন। ধনু রাশিফল: দুর্দশায় থাকা কারোকে সাহায্য করতে আপনার শক্তি ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন এই অবিনশ্বর শরীরের থেকেই বা কি লাভ যদি এটা অন্যদের উপকারে লাগানোই না যায়। আপনি যদি একটি মসৃণ জীবনযাপন করতে চান এবং জীবনযাত্রার একটি স্থিতিশীল মান বজায় রাখতে চান তবে আপনার আর্থিক সম্পর্কে আপনার আজ মনোযোগী হওয়া দরকার।  মকর রাশিফল: আপনি পরিস্থিতি সামলানোর ফলে আপনার উদ্বেগের সৃষ্টি হবে। আপনি সম্ভবত বুঝতে পারবেন যে এটি সাবানের বুদ্বুদের মতো সবই ভিত্তিহীন যা সাহসের প্রথম স্পর্শেই ধসে গেছে। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। আপনার বন্ধুদেরও আপনার উদারতার সুযোগ নিতে দেবেন না। সতর্ক থাকুন কেউ আপনার সাথে প্রেমের ছল করতে পারে। {link} কুম্ভ রাশিফল: সাফল্য হাতের নাগালে এলেও শক্তি কমে আসবে। আপনি যদি আপনার পরিবারের কোনও সদস্যের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়ে থাকেন তবে আজই এটি ফিরিয়ে দেওয়া ভাল, অন্যথায় সেই সদস্যটি আপনার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে পারে। বন্ধু এবং আত্মীয়রা আপনাকে সুনজরে দেখবে এবং আপনি তাদের সঙ্গে যথেষ্ট খুশি হবেন। মীন রাশিফল: আপনার ইচ্ছা শক্তির অভাব আপনাকে আবেগগত ও মানসিক মনোভাবের শিকার করতে পারে। আজ শুধু বসে থাকার পরিবর্তে- কেন এমন কিছুতে নিযুক্ত হচ্ছেন না- যা আপনার উপার্জন ক্ষমতা উন্নত করবে। আপনার পরিবারের সঙ্গে কাঠিন্য দেখাবেন না– এতে শান্তি নষ্ট হবে। ভালোবাসার জন্য উৎসাহময় দিন- সন্ধ্যের জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনা করুন এবং এটিকে যতটা সম্ভব রোম্যান্টিক করতে চেষ্টা করুন। {ads}

article thumbnail

Horoscope: আজ কেমন কাটবে আপনার দিন? জেনে নিন বিস্তারিত রাশিফল

বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ: অসীম জীবনের সমৃদ্ধশালী জাঁকজমক উপভোগ করে আপনার জীবনকে আরো মহিমান্বিত করে তুলুন। দুশ্চিন্তার অনুপস্থিতি এই দিশায় প্রথম পদক্ষেপ। আপনার কাছে মানুষের কি প্রয়োজন এবং আপনার কাছ থেকে তারা কি চায় তা জানার চেষ্টা করুন- কিন্তু আজ আপনার খরচ খুব বেশি না হয় সেই চেষ্টা করুন। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে।  বৃষভ: কাজে এবং ঘরে কিছু চাপ আপনাকে খিটখিটে করে তুলবে। আজ আপনার মা বা বাবার স্বাস্থ্যের জন্য আপনাকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। এটি যদিও আপনার আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটাবে তবে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। বাড়ির সমস্যায় তৎক্ষণাৎ মনোযোগ দেওয়া দরকার। আজ আপনি আপনার জীবনে প্রকৃত ভালোবাসার অভাব বোধ করবেন। চিন্তা করবেন না, সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই পাল্টায়, আপনার প্রেমজ জীবনও পাল্টাবে।  মিথুন: আজ আপনাকে বিভিন্ন উত্তেজনা এবং মতভেদের সামনা করতে হতে পারে যা আপনি অস্বস্তিকর এবং উত্যক্ত বোধ করাবে। যদি আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে চিন্তাভাবনা করে অর্থ ব্যয় করুন, যেহেতু আপনার অর্থের ক্ষতি হতে পারে। আপনি আপনার পরিবারের জন্য কতটা যত্ন করেন তা উপলব্ধি করার জন্য তাদেরকে মৌখিক এবং অমৌখিক বার্তা দেওয়া বজায় রাখুন। খুশি দ্বিগুণ করার জন্য আপনার যথেষ্ট সময় কাটান। কর্কট: নিজেকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে উচ্চ ক্যালোরির খাবার এড়িয়ে চলুন। আজ অর্থের আগমন আপনাকে অনেক আর্থিক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পারে। কর্মস্থানে আপনি অত্যধিক ধকল নেওয়ায় পারিবারিক চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তাগুলি অবহেলিত হবে। আজ আপনি আপনার বন্ধুর অনুপস্থিতিতে আপনি তাঁর সৌরভ অনুভব করবেন।  {link} সিংহ: আপনার আশা একটি সুন্দর কোমল সুগন্ধি এবং উজ্জ্বল ফুলের মত প্রস্ফুটিত হবে। আপনি একটি উত্তেজনাপূর্ণ নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন- যা আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে পারে। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে। মেজাজ নষ্ট করা এড়াতে তার অনুমতি নিন। আপনি সহজেই সমস্যা এড়াতে পারবেন। আপনার প্রাণের বন্ধু সমস্ত দিন আপনি সম্পর্কে চিন্তা করবে। সৃজনশীল চাকরি সম্পন্ন নেটিভরা আজ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।  কন্যা: স্বাস্হ্যের দিক দিয়ে এই সময়কালটি মন্দ যাবে, কাজেই আপনি কি খাচ্ছেন সে ব্যাপারে সতর্ক হোন। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। কারোর জন্য- পরিবারে নতুন একজনের আগমন উৎসব এবং অনুষ্ঠানের মূহুর্ত বয়ে আনবে। আপনার প্রেমিকাকে আজ কোনও অভিমানের কথা বলবেন না। সন্তোষজনক ফলাফল পেতে সুন্দরভাবে সবকিছু পরিকল্পনা করুন- অফিসের সমস্যা দূর করার চেষ্টা করতে গেলে আপনার মনে উত্তেজনার মেঘ নিয়ে আসবে।  তুলা: আপনার মুগ্ধকারী আচরণ মনোযোগ আকর্ষণ করবে। যে লোকেরা জমি কিনেছিল এবং এখন এটি বিক্রি করতে চায় তারা আজ একজন ভাল ক্রেতার কাছে আসতে পারে এবং এর জন্য খুব ভাল পরিমাণ অর্জন করতে পারে। আপনাকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনার রাগকে দমন করতে হবে এবং পারিবারিক পরিবেশকে দূষিত হতে দেবেন না। আজ আপনার ভালোবাসার মানুষটির অনুভূতি বুঝুন।  বৃশ্চিক: আনন্দদায়র সফর এবং সামাজিক জমায়োত আপনাকে ভারমুক্ত এবং খুশি করে রাখবে। অর্থ সাশ্রয়ের আপনার প্রচেষ্টা আজ ব্যর্থ হতে পারে। যদিও আপনাকে এটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, কারণ পরিস্থিতি শীঘ্রই উন্নতি হবে। অবিলম্বে আপনার বাড়ির চারপাশে কিছু পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করা প্রয়োজন। কাউকে তার প্রেমে সাফল্য দৃশ্যায়িত করতে সাহায্য করুন। আজকে আপনি অফিসে ভালো ফলাফল পাবেন না।আপনার বিশেষ কেউ আজ আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে।এই কারণে আজ আপনি সারাদিন সমস্যার মধ্যে থাকতে পারেন।  ধনু: কর্মব্যস্ত দিন হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্হ্য সুন্দর থাকবে। আজ, আপনি ত্রুটিযুক্ত বৈদ্যুতিন আইটেমটি ঠিক করার জন্য আপনার অর্থ ব্যয় করতে পারেন। আপনার জ্ঞান এবং উত্তম রসবোধ আপনার চারপাশের মানুষের মনে রেখাপাত করতে পারে। আপনি যদি চান যে আপনার প্রেমের জীবনটি দৃড় এবং সমৃদ্ধ থাকে, তবে কোনও তৃতীয় ব্যক্তির কথা শুনে আপনার প্রেমিক সম্পর্কে অভিনয় বা মতামত তৈরি করবেন না। মকর: স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অবহেলা করবেন না, বিশেষ করে মদ্যপান এড়িয়ে চলুন। আপনি যদি বাড়ি থেকে দূরে থেকে কাজ করে বা পড়াশোনা করেন তবে আপনার অর্থ এবং সময় নষ্ট করে এমন লোকদের থেকে দূরে থাকতে শিখুন। পরিবারে কোন মহিলা সদস্যের স্বাস্হ্য দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করতে পারে। ভালোবাসার ব্যক্তির প্রতি আপনার রুক্ষ মনোভাব আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে বিরোধ আনতে পারে। কুম্ভ: রক্তচাপের রোগীরা তাদের রক্তচাপ কমানো এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রেড ওয়াইনের সাহায্য নিতে পারেন। এটি তাদের আরো আরাম দেবে। আর্থিকভাবে, আপনি সবল থাকবে। গ্রহ এবং নক্ষত্রের উপকারী স্থানের কারণে আপনি আজ অর্থ উপার্জনের অসংখ্য সুযোগ পেয়ে যাবেন। পারিবারিক সদস্যরা আপনার প্রত্যাশা পূরণ নাও করতে পারে। মীন: আপনার দয়ালু স্বভাব আজ অনেক খুশির মুহূর

article thumbnail

Horoscope Today: আজকে কী দিন ভালো কাটবে নাকি, সামনে রয়েছে বিপদ? জেনে নিন রাশিফল

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ রাশিফল: আপনি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। প্রাচীন জিনিস এবং গয়নায় বিনিয়োগ লাভ এবং সমৃদ্ধি আনবে। আপনি আজ সম্ভবত আপনার বাড়ির মধ্যে এবং চারপাশে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করবেন। প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে ভৃত্যসুলভ আচরণ করবেন না। বৃষভ রাশিফল: স্ত্রীর ব্যাপারে অযথা নাক গলাবেন না– তাতে স্ত্রী রুষ্ট হবে। এর থেকে বরং নিজের দিকে নজর দিন। কিছু জিনিসে হস্তক্ষেপ করা যেতে পারে নাহলে নির্ভরশীলতা এসে যাবে। ফাটকায় লাভ আনবে। আপনার জ্ঞান এবং উত্তম রসবোধ আপনার চারপাশের মানুষের মনে রেখাপাত করতে পারে। মিথুন রাশিফল: আনন্দদায়র সফর এবং সামাজিক জমায়োত আপনাকে ভারমুক্ত এবং খুশি করে রাখবে। আপনি আজ এই সত্যটি বুঝতে পারবেন যে বিনিয়োগ প্রায়শই আপনার জন্য খুব উপকারী হিসাবে প্রমাণিত হয়, যে কোনও পুরানো বিনিয়োগ আপনার দ্বারা প্রস্তাবিত লাভজনক রিটার্ন হিসাবে।  কর্কট রাশিফল: অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বেরোতে চেষ্টা করুন এবং এমন কিছু করুন যা আপনি উপভোগ করেন। আর্থিক ক্ষেত্রে উন্নতি আপনার পক্ষে দীর্ঘস্থায়ী বকেয়া এবং রসিদের টাকা প্রদান করা সুবিধাজনক করবে। পরিবারে কোন মহিলা সদস্যের স্বাস্হ্য দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করতে পারে। সিংহ রাশিফল: আজকের বিনোদনের মধ্যে খেলাধুলো সংক্রান্ত ক্রিয়াকলাপ এবং বাইরের অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। এই রাশিচক্রের লোকেরা যারা বিদেশ থেকে ব্যবসা করে থাকে তারা আজ আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আত্মীয়/বন্ধুরা এক চমৎকার সন্ধ্যার জন্য চলে আসতে পারে। {link} কন্যা রাশিফল:নিজেকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে উচ্চ ক্যালোরির খাবার এড়িয়ে চলুন। অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিন। তাঁদের আনন্দ এবং দুঃখ ভাগ করে নিতে নিজেকেও অন্তর্ভুক্ত করুন যাতে তাঁরা বুঝতে পারেন যে আপনি তাঁদের জন্য পরোয়া করেন।  তুলা রাশিফল: হতাশার মনোভাব আপনার নাগালে আসতে দেবেন না। যারা অচেনা ব্যক্তির পরামর্শে তাদের অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন তারা আজ খুব সুবিধা পাবেন। আজ আপনার সীমিত ধৈর্য্য হবে- কিন্তু এই ব্যাপারে যত্ন নিন কারণ রূঢ় বা অসামঞ্জস্য শব্দ আপনার চারপাশের মানুষের মন খারাপ করতে পারে।  বৃশ্চিক রাশিফল: কোন বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া কোন বিশেষ প্রশংসা আপনাকে খুশি করবে। কারণ আপনি আপনার জীবন গাছের মত করে তৈরী করেছেন, যে নিজে রোদে দাঁডিয়ে থেকে ঝলসানো রোদ সহ্য করে এবং অপরকে ছায়া দেয়। বুঝে খরচ করুন এবং আজ বাজে খরচ না করতে চেষ্টা করুন।  ধনু রাশিফল: খুশিতে ভরা ভালো দিন। কাউকে প্রভাবিত করার জন্য বেশী খরচ করবেন না। আপনাদের মধ্যে কারোর গয়না বা ঘরের সরঞ্জাম কেনার সম্ভাবনা আছে। ভালোবাসার ব্যক্তির প্রতি আপনার রুক্ষ মনোভাব আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে বিরোধ আনতে পারে।  মকর রাশিফল: শ্রেষ্ঠতর জীবনের জন্য আপনার স্বাস্হ্য এবং সামগ্রিক ব্যক্তিত্ব উন্নত করার চেষ্টা করুন আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। পরিবারের সদস্যরা আপনাকে এক ইতিবাচক উপায়ে সাড়া দেওয়ায় আপনি আজ উপকৃত হবেন। আপনাদের ভাগ করে নেওয়া ভালো মূহুর্তগুলি মনে করিয়ে দিয়ে আপনাদের বন্ধুত্বকে সতেজ করে তোলার সময়। কুম্ভ রাশিফল: কিছু পরিবারের কিছু সদস্য তাঁদের ঈর্ষণীয় ব্যবহারের দ্বারা আপনাকে বিরক্ত করতে পারে। কিন্তু আপনার মেজাজ হারানোর প্রয়োজন নেই অন্যথায় পরিস্থিত হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। মনে রাখবেন যা সারানো যায় না তা অবশ্যই সহ্য করে নিতে হয়। কোনও পুরানো বন্ধু আজ আপনাকে আর্থিক সাহায্য চাইতে পারে। মীন রাশিফল: পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটানোর মাধ্যমে একলা এবং একাকীত্বের অনুভূতি কাটিয়ে উঠুন। কোন দীর্ঘ-স্থায়ী লগ্নি এড়িয়ে চলুন এবং বাইরে গিয়ে আপনার ভালো বন্ধুর সাথে কিছু সুখপ্রদ স্মৃতি কাটান। আপনার স্ত্রীর সাথে ভালো বোঝাপড়া ঘরে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি আনবে। {ads}

article thumbnail

Horoscope: আজ কোন রাশির জাতকদের জন্য শুভ দিন, কাদেরই বা সতর্ক থাকা উচিত? দেখে নিন

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়। মেষ: আপনি আজ আপনার সুস্বাস্থ্য বজায় রাখবেন যা আপনাকে সাফল্য এনে দিতে পারে। যারা এখন অবধি অহেতুক তাদের অর্থ উড়িয়ে দিয়েছিল তাদের আজকের কাজটি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত এবং সঞ্চয় করা শুরু করা উচিত। আপনার পরিবারের সঙ্গে কাঠিন্য দেখাবেন না– এতে শান্তি নষ্ট হবে। প্রেম সংক্রান্ত পদক্ষেপ পুরস্কৃত হবে না।  বৃষভ: আপনার সন্ধ্যা মিশ্র আবেগ মিশ্রিত হবে যা আপনাকে উত্তেজিত রাখবে। কিন্তু বেশি চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই- কারণ আপনার সুখ আপনাকে হতাশার চেয়ে বেশি আনন্দ দেবে। যে সমস্ত লোকেরা ঋণ নিয়েছিল তারা আজ এই অর্থ ফেরত দিতে সমস্যায় পড়তে পারে। আত্মীয় এবং বন্ধুদের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত উপহার এবং উপঢৌকন পাবেন। মিথুন: আপনার বিরাট আস্থা এবং সহজ কাজের সময়সূচী আপনাকে আজ আরাম করতে যথেষ্ট সময় দেবে। জমি এবং আর্থিক লেনদেনের জন্য ভালো দিন। সামাজির অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ থাকতে পারে-যা আপনাকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে আনবে। সতর্ক থাকুন যেহেতু আজকের দিনে বন্ধুত্ব হারানো অত্যন্ত সম্ভবপর।  {linkl} কর্কট: রক্তচাপের রোগীরা ভিড় বাসে চাপার সময় তাঁদের স্বাস্হ্যের ব্যাপারে অতিরিক্ত যত্নশীল থাকবেন। আপনি একটি উত্তেজনাপূর্ণ নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন- যা আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে পারে। একটি পারিবারিক জমায়েতে আপনি মধ্যমণি হয়ে উঠবেন। নিজেকে ঠিক সঠিক প্রমাণ করার জন্য আপনি এই দিন আপনার সঙ্গীর সাথে ঝগড়া করতে পারেন।  সিংহ: অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারে তর্ক করে সময় নষ্ট করবেন না। মনে রাখবেন তর্কে পাওয়ার কিছু নেই বরং কেবল হারাবার আছে। যদি আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে চিন্তাভাবনা করে অর্থ ব্যয় করুন, যেহেতু আপনার অর্থের ক্ষতি হতে পারে। আপনি আপনার অতিরিক্ত সময় শিশুদের সাহচর্য উপভোগ করতে ব্যয় করুন- এমনকি এটা ঘটাতে আপনি আপনার পথে এগিয়ে যান।  কন্যা: যদি আপনি একটি দীর্ঘ যাত্রায় যাবার পরিকল্পনা করেন তাহলে আপনার স্বাস্থ্য এবং শক্তি সংরক্ষণের অভ্যাস অত্যন্ত উপকারী প্রমাণিত হবে। একটি ব্যস্ত সময়সূচী সত্ত্বেও আপনি সহজেই ক্লান্তি সামলাতে সক্ষম হবেন। আপনি অর্থের গুরুত্বটি খুব ভালভাবেই জানেন, যে কারণে আপনি আজ যে অর্থ সঞ্চয় করছেন তা ভবিষ্যতে কার্যকর হবে এবং কোনও বড় সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসবে। একটি আনন্দময় এবং চমৎকার সন্ধ্যার জন্য ঘরে অতিথিরা ভিড় করবেন। তুলা: আজকের বিনোদনের মধ্যে খেলাধুলো সংক্রান্ত ক্রিয়াকলাপ এবং বাইরের অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। আপনার অর্থ তখনই আপনার কাজে আসে যখন আপনি নিজেকে অতিরঞ্জিত ব্যয় করা থেকে বিরত রাখেন, আজ আপনি এই জিনিসটি ভালভাবে বুঝতে পারবেন। পরিবারের সদস্যদের হাসিখুশি প্রকৃতি ঘরের পরিবেশ উজ্জ্বল করতে তুলবে। আপনি আজ আপনার মিষ্টি ভালবাসা জীবনে চমকপ্রদ মশলার উপস্থিতি লক্ষ্য করতে পারেন। বৃশ্চিক: বিপদের সময় ধৈর্য্য হারাবেন না। বিনিয়োগের যে স্কিমগুলো আপনার কাছে আকর্ষণীয় লাগছে সেগুলো খুঁটিয়ে দেখুন- কথা দেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। শিশুদের সঙ্গে আপনার খারাপ ব্যবহার তাদের অসন্তুষ্ট করবে। আপনি নিজেকে সামলান এবং মনে রাখুন যে এটা আপনাদের মধ্যে বাধার সৃষ্টি করছে।  ধনু: একটি খুশির সংবাদ পাওয়া সম্ভবপর। অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে গ্রহনির্ভর স্থান আজ আপনার পক্ষে অনুকূল বলে মনে হচ্ছে না। সুতরাং, আপনার অর্থ নিরাপদ রাখুন। আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার পিতামাতা সন্তুষ্ট করা কঠিন। তাদের বুঝতে এবং তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে জিনিসকে দেখে ইতিবাচক ফলাফল দেওয়ার চেষ্টা করুন।  মকর: নিজের খাদ্য(তালিকা) নিয়ন্ত্রণের আওতায় রাখুন এবং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য ব্যায়াম করুন। অপরিকল্পিত উত্স থেকে টাকাপয়সা লাভ আপনার দিন উজ্জ্বলতর করতে তুলবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে বন্ধুরা আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। আপনার হৃদয়ে এবং মনে প্রেম রাজ করবে। আজ আপনি বিচক্ষণতা ব্যবহার করে ঘরের লোকেদের সাথে কথা বলবেন যদি আপনি তা না করেন তাহলে অযথা লড়ায়ে আপনার সময় নষ্ট হতে পারে। {link} কুম্ভ: স্বাস্থ্য সুন্দর থাকবে। আজ কোনও নিকট আত্মীয়ের সহায়তায় আপনি আপনার ব্যবসায় ভাল করতে পারবেন যা আপনাকে আর্থিকভাবেও উপকৃত করবে। মেজাজ না সামলাতে পারলে পরিবারের সদস্যদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে ফেলতে পারেন। আপনি আপনার মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার ফলে একাকিত্বের দশা, যা আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে গ্রাস করছিল, তা শেষ হবে। মীন: আপনি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু একজন স্বার্থপর বদরাগী ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলবেন কারণ তিনি আপনাকে কিছু মানসিক উত্তেজনা দেবে যা পুনরায় সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু জরুরী পরিকল্পনা নির্বাহিত হওয়ায় আপনাকে নতুন অর্থনৈতিক লক্ষ্য এনে দেবে। আপনার ঘরে ঐক্য আনতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করুন। {ads}

article thumbnail

ব্যবসা ও বাণিজ্য

আরো পড়ুন

Samsung Galaxy Z Trifold: 200 MP ক্যামেরা 10 ইঞ্চি ডিসপ্লে! কোম্পানির প্রথম ট্রাই-ফোল্ড স্মার্টফোন লঞ্চ স্যামসাংয়ের

তথাগত ঘোষ: স্মার্টফফোনের বাজারে নতুন চমক নিয়ে হাজির স্যামসাং। ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ বিশ্বজুড়ে ফোল্ডিং ফোনের উচ্চ চাহিদা তৈরি হয়েছে। একাধিক কোম্পানি এই সেগমেন্টে দুর্দান্ত ব্যবসায়িক সাফল্যের দেখাও পেয়েছে। এবার টেকপ্রেমীদের জন্য আরও একটি দুর্দান্ত সুখবর নিয়ে হাজির জনপ্রিয় স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা Samsung। একটি সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কোম্পানিটির পক্ষ থেকে এটির প্রথম ট্রাই-ফোল্ড স্মার্টফোন প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এই স্মার্টফোনটির নাম দেওয়া হয়েছে Samsung Galaxy Z TriFold । 2025 সালের 12 ডিসেম্বর ফোনটিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় লঞ্চ করা হবে। পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এটি 2026 সালের প্রথম ত্রৈমাসিকের মধ্যে প্রবেশ করে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্যামসাংয়ের এই নয়া ট্রাই-ফোল্ড স্মার্টফোনটিতে কী কী আকর্ষণীয় ফিচার রয়েছে? দেখে নিন- {link}  Samsung Galaxy Z TriFold –এর স্পেসিফিকেশন: এই ফোনটিতে ‘ইনওয়ার্ড ফোল্ডিং’ ডিজাইনের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। প্রধান ডিসপ্লেটিকে প্রোটেক্ট করার মাধ্যমে এটি দুই দিক থেকে ফোল্ড হয়ে যাবে। সম্পূর্ণ আনফোল্ড অবস্থায় এই ফোনটির ডিসপ্লের আকার 10 ইঞ্চি। এটি বন্ধ থাকা অবস্থায় একটি 6.5 ইঞ্চি কভার স্ক্রিনের সুবিধা অফার করবে। খোলা অবস্থায় মূলত ফোনটি একটি ট্যাবলেট সাইজের ডিসপ্লেতে রূপান্তরিত হবে। ফোনটিতে একটি Snapdragon 8 Elite প্রসেসরের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। রয়েছে 16 GB র‍্যাম। গ্রাহকরা ফোনটিতে 512 GB বা 1 TB স্টোরেজের বিকল্প বেছে নিতে পারবেন।  {link} Samsung Galaxy Z Trifold –এর ফিচার: এই ফোনটির প্রধান ক্যামেরাটি 200 MP –এর। একইসঙ্গে রয়েছে 12 MP আলট্রা ওয়াইড লেন্স। প্রদান করা হয়েছে 3x অপটিক্যাল জুম সহ 10 MP টেলিফোটো ক্যামেরা। কভার ও মেন স্ক্রিন, দুই ক্ষেত্রেই 10 MP –এর ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা রয়েছে। ফোনটিতে একটি 5600mAh থ্রি-সেল ব্যাটারি সিস্টেমের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। মিলবে 45W ওয়্যার্ড চার্জিং এবং 15W ওয়্যারলেস চার্জিং। এই নয়া স্মার্টফোনটিতে IP48 ওয়াটার রেজিস্ট্যান্সের সুবিধাও প্রদান করেছে স্যামসাং। তবে, এটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হল মাল্টিটাস্কিংয়ের ক্ষমতা। তিনটি স্ক্রিনে, তিনটি পোট্রেট আকারের অ্যাপ্লিকেশন একইসঙ্গে চালানো যাবে।  {link} Samsung Galaxy Z Trifold –এর দাম: দক্ষিণ কোরিয়ায় ফোনটির 16GB র্যা ম ও 512 GB স্টোরেজের মডেলটির দাম করা হয়েছে প্রায় 2,443 ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগে ফোনটি চিন, তাইওয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং সিঙ্গাপুরেও লঞ্চ করা হবে। যদিও, এই ফোনটির ভারতের লঞ্চ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।   {ads}

article thumbnail

Horoscope: আজ কাদের জন্য শুভ দিন, কাদের জন্যই বা বিপদ? জেনে নিন রাশিফল

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ রাশিফল: বহিরাঙ্গণ খেলাধূলা আপনাকে আকর্ষণ করবে- ধ্যান এবং যোগ লাভজনক হবে। নিযুক্ত যারা নিযুক্ত তারা একটি টেকসই পরিমাণ প্রয়োজন, কিন্তু অতীতে করা অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কারণে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকবে না। বন্ধুরা আপনি যা প্রত্যাশা করবেন তার থেকেও বেশি সহায়ক হবে। বৃষভ রাশিফল: অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার সুযোগ বেশী যা আপনাকে প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলাতে অংশ নিতে সাহায্য করবে। এই রাশিচক্রের সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত ব্যবসায়ীদের আজকের অর্থটি খুব চিন্তা করেই বিনিয়োগ করতে হবে। পারিবারিক উত্তেজনায় আপনার মনোযোগ ভ্রষ্ট হতে দেবেন না। দুঃসময় আমাদেরকে অনেক বেশি কিছু দেয়।  মিথুন রাশিফল: ভাগ্যের ওপর নির্ভর করবেন না এবং স্বাস্থ্যের ব্যাপারটা ভাগ্যের হাতে ছাড়বেন না যে ভাগ্যদেবী অলস বলে তা আপনার কোনোদিন হবে না। নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে আর স্বাস্থ্যোদ্ধার করতে এখনই শরীরচর্চা শুরু করে দিন। নতুন চুক্তিগুলি লাভজনক মনে হতে পারে কিন্তু আকাঙ্খিত অনুযায়ী লাভ আনবে না- আর্থিক বিনিয়োগের সময় কোন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না। কর্কট রাশিফল: আপনার ব্যাধি অসুখীর কারণ হতে পারে। পরিবারে সুখ ফিরিয়ে আনতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা অতিক্রম করার চেষ্টা করুন। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। বন্ধু এবং একইভাবে অচেনা ব্যক্তিদের থেকে সাবধান হোন। আজ, আপনি আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে ভাগ করে নিতে চাইবেন।  {link} সিংহ রাশিফল: ভ্রমণ-ভোজ এবং আনন্দ আপনাকে আজ এক ভালো মেজাজে রাখবে। আপনি আজ ব্যবসায় প্রচুর লাভ অর্জন করতে পারেন। আপনি আজ আপনার ব্যবসায় নতুন উচ্চতা দিতে পারেন। যদি আপনি আপনার কমনীয়তা এবং বুদ্ধি ব্যবহার করেন তাহলে আপনি মানুষদের আপনার নিজের পথে নিয়ে আসতে পারবেন।  কন্যা রাশিফল: আজ আপনি হালকা বোধ করবেন এবং উপভোগ করার সঠিক মেজাজে থাকবেন। আপনার সন্তানদের কারণে আজ আপনি অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে পারেন। এটি আপনাকে খুব আনন্দিত করবে। আপনার অত্যধিক শক্তি এবং অসাধারণ উদ্যম আপনার অনুকূলে ফলাফল আনতে পারে এবং গার্হস্থ্য উত্তেজনা প্রশমিত করতে পারে।  তুলা রাশিফল: অত্যধিক দুশ্চিন্তা আপনার মানসিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।এটি এড়িয়ে চলুন, যেহেতু উদ্বেগ,বদমেজাজ এবং দুশ্চিন্তার অল্পস্বল্পও শরীরকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার পরিবারের কোনও সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে আপনি আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।  বৃশ্চিক রাশিফল: আপনি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। আপনি কমিশন- ডিভিডেন্ট- বা রয়্যালটি থেকে বেনিফিট পাবেন। বন্ধুরা সন্ধ্যেবেলার জন্য আকর্ষণীয় কিছু পরিকল্পনা করে আপনার দিনটি উজ্জ্বল করে তুলবে। আপনি প্রেমময় মেজাজের মধ্যে আছেন- তাই আপনি এবং আপনার প্রি়য়জনের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিশ্চিতভাবে করুন। ধনু রাশিফল: দুর্দশায় থাকা কারোকে সাহায্য করতে আপনার শক্তি ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন এই অবিনশ্বর শরীরের থেকেই বা কি লাভ যদি এটা অন্যদের উপকারে লাগানোই না যায়। আপনি যদি একটি মসৃণ জীবনযাপন করতে চান এবং জীবনযাত্রার একটি স্থিতিশীল মান বজায় রাখতে চান তবে আপনার আর্থিক সম্পর্কে আপনার আজ মনোযোগী হওয়া দরকার।  মকর রাশিফল: আপনি পরিস্থিতি সামলানোর ফলে আপনার উদ্বেগের সৃষ্টি হবে। আপনি সম্ভবত বুঝতে পারবেন যে এটি সাবানের বুদ্বুদের মতো সবই ভিত্তিহীন যা সাহসের প্রথম স্পর্শেই ধসে গেছে। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। আপনার বন্ধুদেরও আপনার উদারতার সুযোগ নিতে দেবেন না। সতর্ক থাকুন কেউ আপনার সাথে প্রেমের ছল করতে পারে। {link} কুম্ভ রাশিফল: সাফল্য হাতের নাগালে এলেও শক্তি কমে আসবে। আপনি যদি আপনার পরিবারের কোনও সদস্যের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়ে থাকেন তবে আজই এটি ফিরিয়ে দেওয়া ভাল, অন্যথায় সেই সদস্যটি আপনার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে পারে। বন্ধু এবং আত্মীয়রা আপনাকে সুনজরে দেখবে এবং আপনি তাদের সঙ্গে যথেষ্ট খুশি হবেন। মীন রাশিফল: আপনার ইচ্ছা শক্তির অভাব আপনাকে আবেগগত ও মানসিক মনোভাবের শিকার করতে পারে। আজ শুধু বসে থাকার পরিবর্তে- কেন এমন কিছুতে নিযুক্ত হচ্ছেন না- যা আপনার উপার্জন ক্ষমতা উন্নত করবে। আপনার পরিবারের সঙ্গে কাঠিন্য দেখাবেন না– এতে শান্তি নষ্ট হবে। ভালোবাসার জন্য উৎসাহময় দিন- সন্ধ্যের জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনা করুন এবং এটিকে যতটা সম্ভব রোম্যান্টিক করতে চেষ্টা করুন। {ads}

article thumbnail

Baba Vanga Prediction: সোনার মাধ্যমেই ধনকুবের হওয়ার সুযোগ? বাবা ভাঙ্গারের ভবিষ্যতবাণী জেনে নিন

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের সোনার দাম চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছেছে। গত দুএকদিন সোনার দামের পতন হচ্ছে ঠিকই কিন্তু আবার বাড়বে সোনার দাম। বাবা ভাঙ্গার এমনই বলেছেন। বুলগেরিয়ান এই অন্ধ ভবিষ্যৎদ্রষ্টা বহু আগেই গোটা বিশ্ব জুড়ে ২০২৬ সালে আর্থিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দেন। সেই সূত্র ধরেই বিশেষজ্ঞরা আগামীতে সোনার মূল্য বৃদ্ধির আগাম আভাস দিয়েছেন। আর্থিক নিরাপত্তার সোপান হিসেবে সোনাকে অনেকেই প্রাধান্য দেন। এই ধাতু সংগ্রহে রাখলে আপদে বিপদে তা আমাদেরকে রক্ষা করে। সোনা সঞ্চয়ে থাকলে আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়। ভাঙ্গার কথা কতটা মিলবে তা ভবিষ্যৎ বলবে। কিন্তু আগে বহু ক্ষেত্রেই মিলে গেছে। {link}   বাবা ভাঙ্গার মনে করেন, ২০২৬ সাল এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাবে। আর প্রযুক্তি, রাজনীতি, অর্থনিতি সব ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে বড়সড় অঘটন। যদিও এই সব ভবিষ্যদ্বাণীর কোনও প্রামাণ্য নথি নেই। তবে বাবা ভাঙ্গার সমর্থকরা মনে করেন, যেহেতু অতীতে এই ভবিষ্যৎদ্রষ্টার বহু গুরুত্বপূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হয়েছিল, তাই এবারেও হয়তো তা অক্ষরে অক্ষরে মিলবে। বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীগুলি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে তিনি ২০২৬-এ সরাসরি আর্থিক সংকটের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেই ইঙ্গিত মেনেই মনে করা হচ্ছে সোনার দাম ২০২৬ সালে আকাশ ছোঁয়া হবে। আর ঐতিহাসিক ভাবেও যেকোনও বিপর্যয় বা মন্দার সময় সোনার দাম যে হু হু করে বাড়ে, তা আমরা অতীতে দেখেছি। {ads}

article thumbnail

Purulia : তসর চাষে বদলাচ্ছে পুরুলিয়ার অর্থনীতি

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : খুব ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে পুরুলিয়া (Purulia) জেলা। কখনো সরকারি আনিকুল্য পেয়ে আবার কখনো ব্যক্তিগত উদ্যোগে পুরুলিয়ার মানুষ জেলার অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। তসর চাষ একটি বিশেষ ধরনের রেশম চাষ পদ্ধতি। যে চাষে রেশম পোকা পালন করে রেশম উৎপাদন করা হয়। পরবর্তীতে যা তসর বস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। {link} রেশম পোকা সাধারণত বন্য গাছের পাতায় প্রতিপালিত হয়। এই পোকাগুলি মূলত অ্যান্থেরিয়া মাইলিটা প্রজাতির, যাদের জীবনচক্র পুরোপুরি প্রকৃতির সঙ্গে মিশে রয়েছে। পোকাগুলো পাতায় পাতায় গুটি বাঁধে, আর সেখান থেকেই উৎপন্ন হয় তসর। এখন এই রেশম পোকা প্রতিপালন করে চলেছে পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরের নারায়ণগড় তসর বীজ সরবরাহ কেন্দ্র। {link} এর ফলে ওই এলাকার অর্থনীতি দ্রুত উন্নত হচ্ছে। বহু মানুষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। রেশম পোকা প্রতিপালন করে তারা গড়ে তুলছেন একটি নতুন জীবিকা, যা শুধু তাদের সংসার নয়, প্রাণ ফিরিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও। এই কেন্দ্রটির মূল কাজ হল উন্নতমানের তসর বীজ বা ডিম সরবরাহ করা এবং কেন্দ্রের মধ্যেই থাকা ঘন জঙ্গলে রেশম পোকা প্রতিপালন করা। যেখানে গ্রামের চাষিরা আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে এই পোকা প্রতিপালন করছেন। জানা যায়, বর্ষাকালে এই তসর পোকা চাষের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। {ads}  

article thumbnail

Basirhat : গলদা চিংড়ি চাষেই ঘুরছে বসিরহাটের চাকা

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : উঃ ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বসিরহাট (Basirhat) সংলগ্ন একটা বড়ো অংশের মানুষের জীবিকা গলদা চিংড়ি (Lobster) চাষের সঙ্গে যুক্ত। প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিংড়ি চাষে জয়যাত্রা বসিরহাটের। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বিস্তীর্ণ উপকূলবর্তী অঞ্চল—সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখা, হাড়োয়া ও বসিরহাটে—দীর্ঘদিন ধরেই চিংড়ি চাষ একটি প্রধান জীবিকা হিসেবে চলে আসছে। বিশেষ করে গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষে এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে বিখ্যাত। {link} সুন্দরবনের সান্নিধ্য ও প্রকৃতিগতভাবে অনুকূল পরিবেশ এই চাষের পক্ষে সহায়ক। চাষের এই পুরনো প্রথা এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় আরও সফল হচ্ছে। গত কয়েক বছরে উত্তর ২৪ পরগনার চাষিরা নিয়মিতভাবে বায়োফ্লক, জিওমেমব্রেন পদ্ধতি, উন্নত খাদ্য ও স্বাস্থ্যপরীক্ষা ব্যবস্থার মত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। এতে উৎপাদন যেমন বেড়েছে, তেমনই কমেছে মৃত্যুহার ও রোগ সংক্রমণ। এই পরিবর্তনে লাভের মুখ দেখছেন বহু চাষি। একসময় যারা শুধুমাত্র স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতেন, আজ তারা বড় বাজার এমনকি রফতানির পথেও এগোচ্ছেন। বসিরহাট, ম, কলকাতা এমনকি ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশেও এখানকার চিংড়ির চাহিদা যথেষ্ট। {link} চিংড়ি চাষের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় বহু পরিবার এখন স্থায়ীভাবে এই পেশার ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মও এই চাষকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছে। সরকার ও বেসরকারি সংস্থার তরফ থেকেও প্রশিক্ষণ, ঋণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা মিলছে। তবে সমস্যা একেবারে নেই তা নয়। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলের মানের ওঠানামা এবং কিছু ক্ষেত্রে বাজারে দামের অনিশ্চয়তা এখনও চাষিদের চিন্তায় রাখে। {ads}

article thumbnail

Damask rose : দামাস্ক গোলাপ চাষে বাড়ছে কর্মসংস্থান

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : সারা দেশ জুড়ে বাড়ছে গোলাপ (rose) চাষ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গোলাপের ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক হয়। সাজসজ্জা থেকে শুরু করে নানা সৌন্দর্য পণ্য পর্যন্ত বিস্তৃত এই ফুলের ব্যবসায়িক গুরুত্ব। গোলাপ থেকে সুগন্ধি, প্রয়োজনীয় তেল, গোলাপ জল এবং নানা ধরণের সৌন্দর্য পণ্য তৈরি করা হয়। তাই দিন দিন বাড়ছে এই ফুলের চাষ। কৃষকরা অনেক ধরণের গোলাপ চাষ করেন। {link} তবে, উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) কৃষকরা একটি বিশেষ ধরণের গোলাপ চাষ করে সারা ফেলে দিয়েছেন। এই গোলাপের হাত ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কর্মসংস্থান। এই গোলাপকে 'দামাস্ক গোলাপ' (Damask rose) বলা হয়, যা সাধারণ গোলাপের তুলনায় অনেক বেশি মূল্যবান। সেন্টার অফ অ্যারোমেটিক প্ল্যান্টস'-এর পরিচালক ডঃ নৃপেন্দ্র চৌহান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, দামাস্ক গোলাপ চাষকে সুগন্ধ পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। {link} রাজ্যের পাহাড়ি জেলাগুলির ১৬০০ জনেরও বেশি কৃষক এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় আজ দামাস্ক চাষ সারা দেশে ১৫০ হেক্টরে পৌঁছেছে। এর থেকে তৈরি পণ্য বিদেশে পাঠানোর কাজও চলছে। দামাস্ক গোলাপ তেলের বাজার মূল্য প্রতি লিটার ১২ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা, যা সুগন্ধি, স্বাদ এবং সৌন্দর্য পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বিশেষজ্ঞ বলেন, প্রতি বছর প্রায় ৭০০ কুইন্টাল গোলাপ উৎপাদিত হচ্ছে। {ads}  

article thumbnail

পুজো পার্বন

আরো পড়ুন

Saraswati Puja 2026: কয়েকদিন পরেই দেবী সরস্বতীর পুজো! জেনে নিন সম্পূর্ণ নির্ঘন্ট

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: সরস্বতীপুজো কবে - টা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরী হয়েছিল পন্ডিতদের মধ্যে। পরে অবশ্য সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছে। মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় সরস্বতী পুজো। শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব ঘিরে এবার খানিকটা তিথির গেরো থাকলেও, পঞ্জিকা স্পষ্ট করে দিল নির্ঘণ্ট। আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাংলার ৯ মাঘ) শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হবে বসন্ত পঞ্চমী তথা বাগদেবীর আরাধনা। মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে জ্ঞান ও শিল্পকলার দেবীর আরাধনা করা হয়। দৃকপঞ্জিকা এবং বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা— উভয় মতেই তিথির সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকলেও পুজোর দিন নিয়ে সংশয় নেই। ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার গভীর রাত (রাত ১টা ৩৯ মিনিট থেকে ২টো ২৯ মিনিটের মধ্যে) থেকেই পঞ্চমী তিথি পড়ে যাচ্ছে। শাস্ত্র মতে, উদয়া তিথিতে পুজো করাই প্রশস্ত। সেই নিয়ম মেনেই ২৩ জানুয়ারি শুক্রবারই মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর বন্দনা হবে। {link}   পঞ্চমী তিথি ২৩ জানুয়ারি রাত ১২টা ২৯ মিনিট (মতান্তরে রাত ১টা ৪৭ মিনিট) পর্যন্ত স্থায়ী হবে। ফলে শুক্রবার সকালেই পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার মোক্ষম সময়। নিয়ম অনুযায়ী, এদিন সকালে স্নান সেরে উপোস থেকে বাসন্তী পোশাকে দেবীর চরণে ফুল অর্পণ করেন শিক্ষার্থীরা। হাতেখড়ির জন্যও এদিন সকালের সময়টি অত্যন্ত শুভ।  পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র -  বাগদেবীর চরণে তিনবার পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার বিধান রয়েছে। মূল মন্ত্রটি হল, “ওঁ জয় জয় দেবী চরাচরসারে, কুচযুগ-শোভিত মুক্তাহারে। বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোহস্তুতে।।” শিক্ষার্থীরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন— “বিদ্যাৎ দেহি নমোহস্তুতে”, অর্থাৎ আমাকে বিদ্যা ও জ্ঞান দান করো। {ads}

article thumbnail

Horoscope: বসন্ত পঞ্চমীর আগে কেমন যাবে আপনার ভাগ্য? পড়ে নিন বিস্তারিত

বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ  কাজে এবং ঘরে কিছু চাপ আপনাকে খিটখিটে করে তুলবে। আজ আপনার মা বা বাবার স্বাস্থ্যের জন্য আপনাকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। এটি যদিও আপনার আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটাবে তবে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। বাড়ির সমস্যায় তৎক্ষণাৎ মনোযোগ দেওয়া দরকার। আজ আপনি আপনার জীবনে প্রকৃত ভালোবাসার অভাব বোধ করবেন। চিন্তা করবেন না, সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই পাল্টায়, আপনার প্রেমজ জীবনও পাল্টাবে।  বৃষভ  অসীম জীবনের সমৃদ্ধশালী জাঁকজমক উপভোগ করে আপনার জীবনকে আরো মহিমান্বিত করে তুলুন। দুশ্চিন্তার অনুপস্থিতি এই দিশায় প্রথম পদক্ষেপ। আপনার কাছে মানুষের কি প্রয়োজন এবং আপনার কাছ থেকে তারা কি চায় তা জানার চেষ্টা করুন- কিন্তু আজ আপনার খরচ খুব বেশি না হয় সেই চেষ্টা করুন। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে।  মিথুন  আজ আপনাকে বিভিন্ন উত্তেজনা এবং মতভেদের সামনা করতে হতে পারে যা আপনি অস্বস্তিকর এবং উত্যক্ত বোধ করাবে। যদি আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে চিন্তাভাবনা করে অর্থ ব্যয় করুন, যেহেতু আপনার অর্থের ক্ষতি হতে পারে। আপনি আপনার পরিবারের জন্য কতটা যত্ন করেন তা উপলব্ধি করার জন্য তাদেরকে মৌখিক এবং অমৌখিক বার্তা দেওয়া বজায় রাখুন। খুশি দ্বিগুণ করার জন্য আপনার যথেষ্ট সময় কাটান। কর্কট  নিজেকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে উচ্চ ক্যালোরির খাবার এড়িয়ে চলুন। আজ অর্থের আগমন আপনাকে অনেক আর্থিক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পারে। কর্মস্থানে আপনি অত্যধিক ধকল নেওয়ায় পারিবারিক চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তাগুলি অবহেলিত হবে। আজ আপনি আপনার বন্ধুর অনুপস্থিতিতে আপনি তাঁর সৌরভ অনুভব করবেন।  সিংহ  আপনার আশা একটি সুন্দর কোমল সুগন্ধি এবং উজ্জ্বল ফুলের মত প্রস্ফুটিত হবে। আপনি একটি উত্তেজনাপূর্ণ নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন- যা আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে পারে। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে। মেজাজ নষ্ট করা এড়াতে তার অনুমতি নিন। আপনি সহজেই সমস্যা এড়াতে পারবেন। আপনার প্রাণের বন্ধু সমস্ত দিন আপনি সম্পর্কে চিন্তা করবে। সৃজনশীল চাকরি সম্পন্ন নেটিভরা আজ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।  কন্যা  স্বাস্হ্যের দিক দিয়ে এই সময়কালটি মন্দ যাবে, কাজেই আপনি কি খাচ্ছেন সে ব্যাপারে সতর্ক হোন। আপনি আজকে কার্ড ভাল খেললে কিছু অতিরিক্ত নগদ উপার্জন করতে পারেন। কারোর জন্য- পরিবারে নতুন একজনের আগমন উৎসব এবং অনুষ্ঠানের মূহুর্ত বয়ে আনবে। আপনার প্রেমিকাকে আজ কোনও অভিমানের কথা বলবেন না। সন্তোষজনক ফলাফল পেতে সুন্দরভাবে সবকিছু পরিকল্পনা করুন- অফিসের সমস্যা দূর করার চেষ্টা করতে গেলে আপনার মনে উত্তেজনার মেঘ নিয়ে আসবে।  তুলা  আপনার মুগ্ধকারী আচরণ মনোযোগ আকর্ষণ করবে। যে লোকেরা জমি কিনেছিল এবং এখন এটি বিক্রি করতে চায় তারা আজ একজন ভাল ক্রেতার কাছে আসতে পারে এবং এর জন্য খুব ভাল পরিমাণ অর্জন করতে পারে। আপনাকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনার রাগকে দমন করতে হবে এবং পারিবারিক পরিবেশকে দূষিত হতে দেবেন না। আজ আপনার ভালোবাসার মানুষটির অনুভূতি বুঝুন।  বৃশ্চিক  আনন্দদায়র সফর এবং সামাজিক জমায়োত আপনাকে ভারমুক্ত এবং খুশি করে রাখবে। অর্থ সাশ্রয়ের আপনার প্রচেষ্টা আজ ব্যর্থ হতে পারে। যদিও আপনাকে এটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, কারণ পরিস্থিতি শীঘ্রই উন্নতি হবে। অবিলম্বে আপনার বাড়ির চারপাশে কিছু পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করা প্রয়োজন। কাউকে তার প্রেমে সাফল্য দৃশ্যায়িত করতে সাহায্য করুন। আজকে আপনি অফিসে ভালো ফলাফল পাবেন না।আপনার বিশেষ কেউ আজ আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে।এই কারণে আজ আপনি সারাদিন সমস্যার মধ্যে থাকতে পারেন।  ধনু  কর্মব্যস্ত দিন হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্হ্য সুন্দর থাকবে। আজ, আপনি ত্রুটিযুক্ত বৈদ্যুতিন আইটেমটি ঠিক করার জন্য আপনার অর্থ ব্যয় করতে পারেন। আপনার জ্ঞান এবং উত্তম রসবোধ আপনার চারপাশের মানুষের মনে রেখাপাত করতে পারে। আপনি যদি চান যে আপনার প্রেমের জীবনটি দৃড় এবং সমৃদ্ধ থাকে, তবে কোনও তৃতীয় ব্যক্তির কথা শুনে আপনার প্রেমিক সম্পর্কে অভিনয় বা মতামত তৈরি করবেন না। মকর  রক্তচাপের রোগীরা তাদের রক্তচাপ কমানো এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রেড ওয়াইনের সাহায্য নিতে পারেন। এটি তাদের আরো আরাম দেবে। আর্থিকভাবে, আপনি সবল থাকবে। গ্রহ এবং নক্ষত্রের উপকারী স্থানের কারণে আপনি আজ অর্থ উপার্জনের অসংখ্য সুযোগ পেয়ে যাবেন। পারিবারিক সদস্যরা আপনার প্রত্যাশা পূরণ নাও করতে পারে। কুম্ভ  স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অবহেলা করবেন না, বিশেষ করে মদ্যপান এড়িয়ে চলুন। আপনি যদি বাড়ি থেকে দূরে থেকে কাজ করে বা পড়াশোনা করেন তবে আপনার অর্থ এবং সময় নষ্ট করে এমন লোকদের থেকে দূরে থাকতে শিখুন। পরিবারে কোন মহিলা সদস্যের স্বাস্হ্য দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করতে পারে। ভালোবাসার ব্যক্তির প্রতি আপ

article thumbnail

Astrology: হাত থেকে কিছু জিনিস পড়ে যাওয়া কী খুবই অশুভ লক্ষণ? পড়ুন বিস্তারিত

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় জ্যোতিষ ও বাস্তু কিন্তু বহু গবেষনার পরে সিদ্ধান্তে এসেছে। তাই তাদের প্রকাশিত সূত্রগুলো খুবই গুরত্বপূর্ণ। বাস্তু বলছে অনেক সময় আমাদের হাত থেকে কিছু জিনিস বার বার করে পড়ে যায় - যা আমাদের জীবনের অমঙ্গলের ইঙ্গিত। যেমন -   ১) উভয় শাস্ত্রেই লবণ পড়ে যাওয়াকে অত্যন্ত অশুভ মনে করা হয়। বারবার হাত থেকে নুন পড়ে যাওয়া দাম্পত্য জীবনে অশান্তি ও মানসিক উত্তেজনার লক্ষণ। জ্যোতিষ মতে, নুনের সঙ্গে শুক্র ও চন্দ্রের সম্পর্ক রয়েছে। তাই নুন পড়ে যাওয়া মানে এই দুই গ্রহের অশুভ প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়া।   ২) হাত থেকে বারবার তেল পড়ে যাওয়া ভবিষ্যতে ধেয়ে আসা আর্থিক সংকটের ইঙ্গিত দেয়। এ ছাড়া এটি পরিবারের কোনও সদস্যের ওপর বড় কোনও বিপদ আসার সংকেত হিসেবেও দেখা হয়। {link}   ৩) খাবার সময় মুখ থেকে গ্রাস বা থালা থেকে বারবার খাবার পড়ে যাওয়া ভাল লক্ষণ নয়। বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, এটি বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির উপস্থিতি বা দারিদ্র্যের আগমন বার্তা দেয়। একে দেবী অন্নপূর্ণার অপমান হিসেবেও গণ্য করা হয়। এর ফলে পরিবারে শোক সংবাদ বা অর্থহানির সম্ভাবনা তৈরি হয়।   ৪) বারবার দুধ হাত থেকে পড়ে যাওয়া বা ওভেনে বসানো দুধ উথলে পড়ে যাওয়া অত্যন্ত অশুভ। এটি মানসিক চাপ বৃদ্ধি এবং অকারণে অর্থ অপচয়ের ইঙ্গিত দেয়।   ৫) পুজোর সময় আরতির থালা হাত থেকে পড়ে যাওয়াকে অমঙ্গলের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। মনে করা হয়, এটি ভগবানের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। কোনও শুভ বা মাঙ্গলিক কাজে বাধা আসার আগে সাধারণত এমন ঘটনা ঘটে থাকে বলে বিশ্বাস করা হয়। {ads}

article thumbnail

Horoscope: কারুর প্রেমে সুসময়, কারুর আবার খারাপ! আজ কার কপালে কী রয়েছে? জেনে নিন

বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়। মেষ  আপনার সন্ধ্যা মিশ্র আবেগ মিশ্রিত হবে যা আপনাকে উত্তেজিত রাখবে। কিন্তু বেশি চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই- কারণ আপনার সুখ আপনাকে হতাশার চেয়ে বেশি আনন্দ দেবে। যে সমস্ত লোকেরা ঋণ নিয়েছিল তারা আজ এই অর্থ ফেরত দিতে সমস্যায় পড়তে পারে। আত্মীয় এবং বন্ধুদের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত উপহার এবং উপঢৌকন পাবেন। বৃষভ  আপনার বিরাট আস্থা এবং সহজ কাজের সময়সূচী আপনাকে আজ আরাম করতে যথেষ্ট সময় দেবে। জমি এবং আর্থিক লেনদেনের জন্য ভালো দিন। সামাজির অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ থাকতে পারে-যা আপনাকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে আনবে। সতর্ক থাকুন যেহেতু আজকের দিনে বন্ধুত্ব হারানো অত্যন্ত সম্ভবপর।  {link} মিথুন  আপনি আজ আপনার সুস্বাস্থ্য বজায় রাখবেন যা আপনাকে সাফল্য এনে দিতে পারে। যারা এখন অবধি অহেতুক তাদের অর্থ উড়িয়ে দিয়েছিল তাদের আজকের কাজটি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত এবং সঞ্চয় করা শুরু করা উচিত। আপনার পরিবারের সঙ্গে কাঠিন্য দেখাবেন না– এতে শান্তি নষ্ট হবে। প্রেম সংক্রান্ত পদক্ষেপ পুরস্কৃত হবে না।  কর্কট  রক্তচাপের রোগীরা ভিড় বাসে চাপার সময় তাঁদের স্বাস্হ্যের ব্যাপারে অতিরিক্ত যত্নশীল থাকবেন। আপনি একটি উত্তেজনাপূর্ণ নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন- যা আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে পারে। একটি পারিবারিক জমায়েতে আপনি মধ্যমণি হয়ে উঠবেন। নিজেকে ঠিক সঠিক প্রমাণ করার জন্য আপনি এই দিন আপনার সঙ্গীর সাথে ঝগড়া করতে পারেন।  সিংহ  অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারে তর্ক করে সময় নষ্ট করবেন না। মনে রাখবেন তর্কে পাওয়ার কিছু নেই বরং কেবল হারাবার আছে। যদি আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে চিন্তাভাবনা করে অর্থ ব্যয় করুন, যেহেতু আপনার অর্থের ক্ষতি হতে পারে। আপনি আপনার অতিরিক্ত সময় শিশুদের সাহচর্য উপভোগ করতে ব্যয় করুন- এমনকি এটা ঘটাতে আপনি আপনার পথে এগিয়ে যান।  কন্যা  যদি আপনি একটি দীর্ঘ যাত্রায় যাবার পরিকল্পনা করেন তাহলে আপনার স্বাস্থ্য এবং শক্তি সংরক্ষণের অভ্যাস অত্যন্ত উপকারী প্রমাণিত হবে। একটি ব্যস্ত সময়সূচী সত্ত্বেও আপনি সহজেই ক্লান্তি সামলাতে সক্ষম হবেন। আপনি অর্থের গুরুত্বটি খুব ভালভাবেই জানেন, যে কারণে আপনি আজ যে অর্থ সঞ্চয় করছেন তা ভবিষ্যতে কার্যকর হবে এবং কোনও বড় সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসবে। একটি আনন্দময় এবং চমৎকার সন্ধ্যার জন্য ঘরে অতিথিরা ভিড় করবেন। {link} তুলা  আজকের বিনোদনের মধ্যে খেলাধুলো সংক্রান্ত ক্রিয়াকলাপ এবং বাইরের অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। আপনার অর্থ তখনই আপনার কাজে আসে যখন আপনি নিজেকে অতিরঞ্জিত ব্যয় করা থেকে বিরত রাখেন, আজ আপনি এই জিনিসটি ভালভাবে বুঝতে পারবেন। পরিবারের সদস্যদের হাসিখুশি প্রকৃতি ঘরের পরিবেশ উজ্জ্বল করতে তুলবে। আপনি আজ আপনার মিষ্টি ভালবাসা জীবনে চমকপ্রদ মশলার উপস্থিতি লক্ষ্য করতে পারেন। বৃশ্চিক  বিপদের সময় ধৈর্য্য হারাবেন না। বিনিয়োগের যে স্কিমগুলো আপনার কাছে আকর্ষণীয় লাগছে সেগুলো খুঁটিয়ে দেখুন- কথা দেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। শিশুদের সঙ্গে আপনার খারাপ ব্যবহার তাদের অসন্তুষ্ট করবে। আপনি নিজেকে সামলান এবং মনে রাখুন যে এটা আপনাদের মধ্যে বাধার সৃষ্টি করছে।  ধনু  একটি খুশির সংবাদ পাওয়া সম্ভবপর। অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে গ্রহনির্ভর স্থান আজ আপনার পক্ষে অনুকূল বলে মনে হচ্ছে না। সুতরাং, আপনার অর্থ নিরাপদ রাখুন। আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার পিতামাতা সন্তুষ্ট করা কঠিন। তাদের বুঝতে এবং তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে জিনিসকে দেখে ইতিবাচক ফলাফল দেওয়ার চেষ্টা করুন।  মকর  নিজের খাদ্য(তালিকা) নিয়ন্ত্রণের আওতায় রাখুন এবং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য ব্যায়াম করুন। অপরিকল্পিত উত্স থেকে টাকাপয়সা লাভ আপনার দিন উজ্জ্বলতর করতে তুলবে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে বন্ধুরা আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। আপনার হৃদয়ে এবং মনে প্রেম রাজ করবে। আজ আপনি বিচক্ষণতা ব্যবহার করে ঘরের লোকেদের সাথে কথা বলবেন যদি আপনি তা না করেন তাহলে অযথা লড়ায়ে আপনার সময় নষ্ট হতে পারে। কুম্ভ  আপনি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু একজন স্বার্থপর বদরাগী ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলবেন কারণ তিনি আপনাকে কিছু মানসিক উত্তেজনা দেবে যা পুনরায় সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু জরুরী পরিকল্পনা নির্বাহিত হওয়ায় আপনাকে নতুন অর্থনৈতিক লক্ষ্য এনে দেবে। আপনার ঘরে ঐক্য আনতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করুন। মীন  স্বাস্হ্য সুন্দর থাকবে। আজ কোনও নিকট আত্মীয়ের সহায়তায় আপনি আপনার ব্যবসায় ভাল করতে পারবেন যা আপনাকে আর্থিকভাবেও উপকৃত করবে। মেজাজ না সামলাতে পারলে পরিবারের সদস্যদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে ফেলতে পারেন। আপনি আপনার মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার ফলে একাকিত্বের দশা, যা আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে গ্রাস করছিল, তা শেষ হবে। {ads}

article thumbnail

Gangasagar: বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত গঙ্গা সাগরের পুণ্য স্নান প্রায় এক কোটি মানুষের

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গঙ্গাসাগর এখন আর কঠিন কোনো জায়গা নয়। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এখন গঙ্গাসাগর যাওয়া খুবই সহজ হয়ে পড়েছে। ফলে ভক্তপ্রাণ মানুষের আগমন বেড়েই চলেছে। এবার সরকারি সূত্রের খবর মকর সংক্রান্তিতে পুণ্যস্নান করতে হাজির হলেন ৮৫ লক্ষ মানুষ। এই সংখ্যা ১ কোটি ছাড়াতে পারে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১.১৯ পর্যন্ত চলবে পুণ্যস্নান। এখনও পর্যন্ত গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, "আমাদের দাবি জাতীয় মেলা ঘোষণা করতে হবে। মানুষের মধ্য থেকেই এই দাবি আরও জোরালোভাবে উঠবে।" নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের কড়া নজরদারি চলছে। মেলায় এখনও পর্যন্ত ২৭২ টি পকেটমারির ঘটনা সামনে এসেছে, যার মধ্যে ২৬০ টি ঘটনার সমাধান হয়েছে। মোট ৬৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। {link} নিখোঁজ হওয়া ৪৮৮৩ জনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪৮৬০ জনকে তাঁদের পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, গঙ্গাসাগর মেলায় দুর্ঘটনাজনিত বিমার অঙ্ক পাঁচ লক্ষ টাকা। এই বিমার আওতায় পুণ্যার্থী, সরকারি কর্মী, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, পরিবহণ কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা রয়েছেন। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মেলা পরিচালনায় নতুন দিশা নেওয়া হয়েছে। মেলা এলাকাজুড়ে সমস্ত যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুল্যান্স ও সরকারি যানবাহনে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম বসানো হয়েছে। বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পুণ্যার্থীদের জন্য আলাদা যাতায়াত, শৌচালয়, পানীয় জল ও চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। {ads}

article thumbnail

Horoscope: সিংহ রাশির জন্য সুসময়! আজ কার ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছে? জেনে নিন

বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন- এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একইরকম ভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। প্রতিটি রাশির নিজস্ব স্বভাব এবং গুন-ধর্ম থাকে, তাই প্রতিদিন গ্রহের স্থিতির অনুসারে তাদের সাথে যুক্ত জাতকের জীবনে ঘটিত স্থিতি ভিন্ন-ভিন্ন হয়। এই কারণের জন্যই প্রত্যেক রাশির রাশিফল আলাদা-আলাদা হয়।  মেষ  যেমন খাবার তার স্বাদ নুন থেকে আহরণ করে- কিছু অসুখীতা কেবলমাত্র আপনার সুখের মর্মোপলব্ধি করার জন্যই জরুরী। বাজি বা জুয়া খেলায় যারা তাদের অর্থ ব্যয় করেছিল তারা আজ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। অতএব, আপনাকে বাজি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আপনি তার মতামত অবহেলা করলে আপনার সঙ্গী ধৈর্য হারাতে পারে। আকস্মিক প্রেমঘটিত সাক্ষাৎ আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। বৃষভ  নিজেকে আরো আশাবাদী হতে প্রেরণা জোগান। এটি প্রত্যয় এবং নমনীয়তা বাড়িয়ে তোলে, কিন্তু একই সময়ে এটিকে ভয়, ঘৃণা, হিংসা এবং প্রতিশোধের মত নেতিবাচক অনুভূতিগুলি ছাড়তে প্রস্তুত করে। আপনি যদি বাড়ি থেকে দূরে থেকে কাজ করে বা পড়াশোনা করেন তবে আপনার অর্থ এবং সময় নষ্ট করে এমন লোকদের থেকে দূরে থাকতে শিখুন। আপনার রসিক স্বভাব সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনাকে জনপ্রিয় করে তুলবে। আবেগ প্রবণতাকে সামলে রাখুন নাহলে প্রেমের সম্পর্কে ভাঙন অনিবার্য।  {link} মিথুন  জীবনকে উপভোগ করার চাহিদা আপনার কতটা দেখে নিন। যোগব্যায়ামের সাহায্য নিন- যা আপনাকে শারীরিক মানসিক ও আধ্যাত্মিকভাবে সুস্থ থাকতে শেখাবে যাতে আপনার মেজাজের উন্নতি হয়। আপনি রক্ষণশীল বিনিয়োগে বিনিয়োগ করে আরো বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার ভাইকে সাহায্য করুন। কর্কট  আপনি খুব আবেগপ্রবণ হবেন- সুতরাং আপনি আঘাত পেতে পারেন এমন পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকুন। আপনি রক্ষণশীল বিনিয়োগে বিনিয়োগ করে আরো বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বন্ধু এবং একইভাবে অচেনা ব্যক্তিদের থেকে সাবধান হোন। এমন পোষাক পরবেন না যা আপনার প্রেমিকা পছন্দ করেন না কারণ এতে তাকে অসম্মান করা হয়। কর্মক্ষেত্রে আজ আপনি আপনার কিছু ভাল কাজের জন্য সম্মানিত হবেন। {link} সিংহ  আজ কল্যাণকর দিন এবং আপনি হয়তো একটি দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। নিযুক্ত যারা নিযুক্ত তারা একটি টেকসই পরিমাণ প্রয়োজন, কিন্তু অতীতে করা অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কারণে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকবে না। স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার হস্তক্ষেপ তাকে ক্ষিপ্র করতে পারে। মেজাজ নষ্ট করা এড়াতে তার অনুমতি নিন। আপনি সহজেই সমস্যা এড়াতে পারবেন।  কন্যা  আপনার অসুস্থতা নিয়ে আলোচনা করা এড়িয়ে চলুন। অসুস্থতা থেকে আপনার মনোযোগ সরানোর জন্য নিজেকে কোন কাজে নিযুক্ত করুন কারণ আপনি আপনার অসুস্থতা নিয়ে যত কথা বলবেন ততই খারাপ হবে। খরচ বাড়বে কিন্তু আয়ের উত্থান আপনার বিলগুলির তত্ত্বাবধান করবে। আজকে আপনি যে ফাঁকা সময়টি পাবেন তার লাভ নিন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে ভালোবাসার মূহুর্তগুলি কাটান।  তুলা  আজ আপনি শক্তিপূর্ণ হয়ে থাকবেন- আপনি যাই করুন না কেন- সাধারণত আপনি যে সময় নেন তার অর্ধেক সময়েই এটি করতে পারবেন। আজ, আপনার পিতা-মাতার একজন আপনাকে অর্থ সাশ্রয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বক্তৃতা দিতে পারেন। আপনার তাদের খুব মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে, অন্যথায় আপনি আসন্ন সময়ে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। বৃশ্চিক  স্বাস্হ্য সুন্দর থাকবে। আজ অর্থের আগমন আপনাকে অনেক আর্থিক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পারে। আপনার জ্ঞান তৃষ্ণা আপনাকে নতুন বন্ধু তৈরি করতে সাহায্য করবে। আপনার অংশীদার আপনার সম্পর্কে ভাল চিন্তা করে, এজন্য সে মাঝে মাঝে আপনাকে রেগে যায়। ফিরে প্রতিক্রিয়া না দিয়ে তাদের কথায় এবং তারা যেখান থেকে আসছে তা বোঝা ভাল। কাজের জায়গায় মানুষদের সাথে লেনদেন করার সময় সতর্কতা জ্ঞান এবং ধৈর্য্য অবলম্বন করুন। ধনু  অত্যধিক দুশ্চিন্তা আপনার মানসিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।এটি এড়িয়ে চলুন, যেহেতু উদ্বেগ,বদমেজাজ এবং দুশ্চিন্তার অল্পস্বল্পও শরীরকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। কাউকে প্রভাবিত করার জন্য বেশী খরচ করবেন না। অন্যদের মধ্যে আপনার অপ্রয়োজনীয় ত্রুটি খোঁজা আত্মীয়দের দ্বারা সমালোচিত হতে পারে। আপনি একটা সময় বুঝতে পারবেন এটি শুধুমাত্র সময়ের অপচয়। আপনি এই থেকে কিছুই লাভ করতে পারবেন না। এর থেকে ভাল আপনার অভ্যাস পরিবর্তন করা। এটা আপনার ভালবাসার জীবনে একটি আশ্চর্যজনক দিন হতে চলেছে।  মকর  আপনি আপনার শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে কিছু ক্রীড়া কার্যকলাপ উপভোগ করতে পারেন। আপনি দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে বিনিয়োগ করলে উল্লেখযোগ্য লাভ পাবেন। আপনার তরফে বেশি কিছু না করেই অন্যদের নজর আকর্ষণ করার জন্য এটি আদর্শ দিন। আপনার প্রণয়ী সমস্ত দিন মারাত্মকভাবে আপনি মিস্ করবে। {link} কুম্ভ  কোন গাড়ি চালানোর সময়ে সতর্ক থাকুন বিশেষত বাঁকগুলিতে। কারোর অবহেলা হয়তো আপনার জন্য কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। ব্যস্ততার মধ্যে বিনিয়োগ করবেন না- তাতে লোকসান হবেই যদি না আপনি বিনিয়োগ সময় সব দিক লক্ষ্য রাখেন। আপনার মুগ্ধকারী স্বভাব ও আনন্দদায়ক ব্যক্তিত্ব আপনাকে নতুন বন্ধু তৈরি করতে এবং যোগাযোগ উন্নত করতে সাহায্য করবে।  মীন  বাচ্চাদের সাথে খেলা আপনাকে এর চম

article thumbnail

সাহিত্যের পাতা

আরো পড়ুন

History: ৭ নভেম্বর বিশ্ব ঐতিহাসিক দিন

 শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : আজ, ৭ নভেম্বর বিশ্বের সমাজতান্ত্রিক মনস্ক মানুষদের কাছে একটা বিশেষ ঐতিহাসিক দিন। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর সেই দিন, যেদিন সোভিয়েত রাশিয়ায় ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে এবং জারবাদী শাসনের ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে। এটাই বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব। স্বাভাবিক কারণেই সমাজতন্ত্রীদের কাছে এই দিনটি সত্যি ঐতিহাসিক দিন। লেনিনের নেতৃত্বে বলসেভিকেরা ক্ষমতা দখল করার পরে সেই দলের নাম দেয় 'সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টি'। সেই সময় জার শাসনে ক্ষত-বিক্ষত রাশিয়ার মানুষ। তীব্র অভাব, ভয়ঙ্কর শোষণ, নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে কমিউনিস্টদের নেতৃত্বে যে বিপ্লব ঘটেছিল, তা যেন মুক্তির হাওয়া এনে দিলো দরিদ্র শ্রমিক ও কৃষক শ্রেণীর সামনে। তারা গঠন করলো নিজেদের সরকার। আর সরকারের প্রধান নীতি আগেই কার্ল মার্ক্স বলেছিলেন - 'দেশের মানুষ সাধ্য অনুযায়ী শ্রম দেবে আর রাষ্ট্রশক্তি তাদের জীবন-জীবিকার দায়িত্ব নেবে।' বিশ্বজুরে তৈরী হলো এক নতুন উন্মাদনা। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লো সমাজতন্ত্রের বার্তা।  {link}   রাশিয়ায় ১৯১৭ সালের এই বিপ্লবের পটভূমি তৈরী হয়েছিল বহু বছর আগের থেকেই। বিশেষ করে ১৯০৫ সালটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জার শাসন ও শোষনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার শ্রমজীবী মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে জার শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবার করলে জারদের পুলিশের নির্মম অত্যাচারে কয়েকশো শ্রমিক হতাহত হয়। এটাই অন্যতম কারণ যে, জারদের বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে। আর তখনই তারা তৈরী করেন 'সোভিয়েত' নামে এক কাউন্সিল। ওই ১৯০৫ সালেই জাপানের হাতে পরাজিত হয় জার শাসক ও তাদের বিপুল আর্থিক সংকট দেখা দেয়। এর পরেই রাশিয়া ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মিত্র হয়ে জার্মাণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পর্যদুস্থ হয়। দেশে নেমে আসে আরও গভীর সংকট। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শ্রমিক ও কৃষকের মধ্যে ব্যাপক সংগঠন তৈরী করে বলসেভিকরা (পরে কমিউনিস্ট পার্টি)।  {link}   এর পরেই বিশ্বজুড়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলে কমিউনিস্ট আন্দোলেন। ধনতন্ত্রের বিরুদ্ধে নিজেদের অর্থাৎ জনগনের সরকার গড়ার আন্দোলনে সাফল্য আসে মাও-সে-তুঙয়ের নেতৃত্বে চিনে। তারপরে একে একে একে ফিদেল কাস্ত্রের নেতৃত্বে কিউবা,প্যাথ লাওয়ের নেতৃত্বে লাওস,হোচি মিনের নেতৃত্বে ভিয়েতনাম সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশে। আর লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার বহু দেশে গড়ে ওঠে কমিউনিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট আন্দোলেন। স্বাভাবিক কারণেই ৭ নভেম্বর বিশ্বের 'সমাজতন্ত্রী' দের কাছে একটা বিশেষ সম্মানের দিন। কার্ল মার্ক্স যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাকে বাস্তবে রূপ দেবার জন্যই মহামতি লেনিন বার বার বলতেন -  'দুনিয়ার মজদুর এক হও' - তা আজও প্রাসঙ্গিক। {ads}

article thumbnail

Research: মানুষের মতো দাঁত রয়েছে এই বিস্ময়কর মাছের

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক :  পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ জল। আর সেই জলের মধ্যেই লুকিয়ে আছে অজস্র বিস্ময়। এমনই এক বিস্ময়কর মাছের সন্ধান দিলো বিজ্ঞানীরা। একেবারে মানুষের মতো দাঁত রয়েছে এই বিস্ময়কর মাছের। সম্প্রতি এমন ভয়ঙ্কর মাছের খোঁজ মিলল প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে। বিস্ময়কর এই মাছটির নাম পেসিফিক লিংকোড। {link} সবথেকে অবাক করার মতো বিষয় হল, এই মাছের মুখেই রয়েছে ৫৫৫টি দাঁত। এই দাঁতগুলো রেজারের মতো ধারালো। বিজ্ঞানীরা এরপর বিস্ময়কর এই মাছটি নিয়ে গবেষণায় নেমে জানতে পারেন, এই মাছ প্রতিদিন ২০টি করে দাঁত হারায়। কিন্তু দিনের শেষে ফের সেই দাঁত গজিয়ে ওঠে সঠিক জায়গায়। উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে দেখা মেলে মাংসাশি এই মাছের।এখানেই বিস্ময়ের শেষ নয়। এই মাছ নিয়ে গবেষণায় আরো অনেক বিস্ময়কর ঘটনা উঠে এসেছে।এর মুখ খুব ভয়ঙ্কর। তবে মাত্র ২০/২২ ইঞ্চি লম্বা হয় এই মাছ। বিশ্বের সবথেকে ভয়ঙ্কর মুখের মাছগুলির মধ্যে একটি হল এই পেসিফিক লিংকোড। এই মাছের চোয়ালের আস্তরণে প্রায় শত শত মাইক্রস্কোপিক দাঁত আছে। মাছটি ফ্যারিঞ্জিয়াল চোয়াল ও আনুষঙ্গিক চোয়ালের একটি সেট দিয়ে খাবার চিবোয়। {link} খাবার চিবনোর সমই তারা ২০টি করে দাঁত হারায়। পরে সেগুলি আবার গজিয়ে ওঠে এক দিনের মধ্যে। মাছটি সম্বন্ধে অনেকে জানলেও তাদের দাঁতের এই কাহিনি প্রায় অজানা। সেই নিয়ে চলেছে গবেষণা। {ads}

article thumbnail

উপলব্ধিঃ ফাস্ট ফুড- নিখিল কুমার চক্রবর্তী

উপলব্ধি  (ফাস্ট ফুড)  খুব বেশিদিন আগেকার কথা নয়। তখনও ফাস্ট ফুডের ব্যবসা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছায় নি। নানা রকম পোষাকী নামে বিভূষিত হয়ে আলুর তৈরি আইটেম জাতে ওঠেনি। হাজারটা ব্যবসাদার হাজার রকম নামে একই পদ কে বিভিন্ন ভঙ্গীমায় পরিবেশনও করত না। ফাস্ট ফুড বলতে চপ, সিঙ্গারা, বেগুনী, কুমড়ী, ফুলুড়িকেই বোঝাত। সন্ধ্যেবেলায় বর্ষাবাদলের মেঘমল্লার বেজে উঠলে সরষের তেলে (সাদা তেল তখন বাঙালি চোখে বা চেখে দেখে নি) জিরে শুকনো লঙ্কা ভাজা আর চপ দিয়ে মুড়ি চটকে মেখে খবরের কাগজের ওপর ঢেলে দেওয়া হত। তার চারধারে বারো ইয়ার। ঐ মুড়ির সাথে সিঙ্গারা ভেঙে ভেঙে খাওয়া হত সবাই মিলে। সবাই একসাথে খাবলা মারার চেষ্টা করত। সব খাওয়ার পর বাইরের "চাঁপাকল” থেকে এক মগ জল এনে ঢক ঢক করে খেয়ে ঢেকুর তুলত বাঙালি। তারপর চিনিগোলা এক ভাঁড় চা। অবশ্যম্ভাবীভাবে দশ মিনিট পর থেকে গলায় মোবিল ছেটকাতো। রাতের খাওয়া শিকেয় উঠত। কোন কোন রসিক সুজন সন্ধ্যে হলেই এই ধরণের ফাস্ট ফুডের জন্য ছটফট করে মরে যেত। অবশ্য শুধু ফাস্ট ফুড কে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সে তো সহযোগী। আসল ছটফটানি রঙিন তরলের বোতলের জন্য। বাড়ির লোক যাতে জানতে না পারে তার জন্য সাপের কামড়ের ভয়কে তুচ্ছজ্ঞান করে সন্ধ্যেবেলায় গ্রামের বাঁশতলায় কত যে মেহ্ফিল বসত! তখন মুঠোফোনের চল হয় নি। হুট করলেই বারো ইয়ার এক জায়গায় ঠেক মারার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে আসার এত্তেলা পেত না। তবুও কী এক অমোঘ ইশারায় সবাই ঠিকঠাক চলে আসত। বাতাস দূতের কাজ করে গন্ধ পৌঁছে দিত ইয়ারমহলে। এসব দিন এখন অতীত। এখন শহরের ফুটপাতে মানুষ চলে না। পাত পেড়ে কাটলেট, রোল, মোগলাই, বিরিয়ানি খায়। অযুত নিযুত রেস্তোরাঁয় কত রকমের আইটেম! "স্টার্টার", "ডেজার্ট", "মেন কোর্স" ইত্যাদি নামে পকেট খালি করার এবং পেট ভর্তি করার কত রকম কারসাজি! এসবের একবারে প্রথমের দিকে আমার মত এক গাঁয়ের লোক "চিলি চিকেন" খেয়ে বলেছিল, "আরে, এ তো মুরগীর টক"। তা শুনে যে তাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল তার হড়কে পড়ে যাওয়ার মত অবস্থা। ছি ছি, এমনভাবে কেউ প্রেস্টিজ পাংচার করে! "শিক কাবাব" খেয়ে বলেছিল, "আরে দূর, আমার গ্রামের বন্ধু তামর হেমব্রোম তো তাদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে হাঁসের মাংস পুড়িয়ে এমন করেই খাইয়েছিল।" বলা বাহুল্য হবে, এরপরে আর কোনদিন সেই বন্ধু এমন কোন সঙ্গী নিয়ে রেস্তোরাঁয় যাওয়ার সাহস দেখায় নি। এখন তো আরও সহজ হয়ে গেছে সবকিছু। মুঠোফোনের দৌলতে মুঠোয় এসে গেছে দুনিয়া। "অনলাইন" এ যা খুশী অর্ডার করে আনানো যায়। একটা ক্লিকের অপেক্ষা। খুব ভাল। বাড়িতে অতিথি এসেছে (যদিও খুব কম লোকই এখন চায় যে বাড়িতে অতিথি আসুক। আত্মসুখসর্বস্ব পরিবার নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতেই বেশি পছন্দ করে), অনলাইনে অর্ডার দাও। পরনিন্দা, পরচর্চা শেষ হওয়ার আগেই খাবার এসে হাজির। কে আর কষ্ট করে দুপুরের মেনুতে বাঙালির প্রিয় পেঁয়াজ রসুন দিয়ে কলমি শাক ভাজা, পোস্তবড়া (মহার্ঘ এখন), পুকুরে জাল ফেলে ধরা টাটকা মাছের ঝোল বা হাঁসখোপ থেকে সদ্য বের করে আনা ডিমের ঝোল দিয়ে ভাতার থালা সামনে ধরে আপ্যায়ন করে? হাঁসখোপের ডিম আর পুকুরের টাটকা মাছ শহরে না থাকলেও বাঙালির অতিথি আপ্যায়নে ব্যাগ ওপচানো সব্জির বাজার আর গোটা বড় একটা কাৎলার কানকোর ভেতর দিয়ে খড় ঢুকিয়ে বেঁধে অন্য হাতে তা ঝুলিয়ে আনার সুনাম ছিল। বাড়ির গিন্নীরা তখন বড় আঁশবঁটির ওপর থেবড়ে বসে সেই মাছ কাটত। বড় বড় পিস করত। এখনকার মত বাজারে মাছ কিনে অন্য কাউকে এক্সট্রা দশ টাকা দিয়ে পঁচিশ গ্রামের এক একটা পিস করিয়ে আনতে হত না। বাজার থেকে ফেরার পথে সবাই জানত বাড়িতে অথিথি এসেছে। কেউ কেউ মজা করে বলত, "বাড়িতে বড়কুটুম (শালা বা সম্বন্ধী) এসেছে না কি?" অতিথি অপ্যায়নে ফাস্ট ফুড তখন এত সুনাম কুড়োয় নি। এতে সুবিধা কি হয় নি? নিশ্চয়ই হয়েছে। এই বেগযুগে আবেগহীন মানুষের হাতে "সময় কোথায় সময় নষ্ট করবার"? স্বামী স্ত্রী আর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তৈরি পরমাণুপরিবারে সবাই ব্যস্ত। অতএব, পেটের ক্ষতি হলেও উপায় নেই। অনলাইনই জীবনকে অফলাইন হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রেখেছে। মুশকিল অন্য জায়গায়। এই ধরণের ব্যবস্থা প্রচ্ছন্নভাবে নিস্পৃহ মানসিকতার জন্ম দেয়। শারীরিক অসুস্থতা ডেকে আনে। যে যখন খুশী এলেও অসুবিধা নেই। মুঠোফোন তো আছে! চটকদার মনোহারি ফাস্ট ফুড আনিয়ে নিলেই হবে। অতএব নিস্পৃহ থাকো। এই মানসিকতা আস্তে আস্তে সব ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়লে বিপদ। সিরিয়াসনেসের অভাব দেখা দিতে পারে। আর চটকদারি, মশলাদার এই সব খাবার যে শরীরের পক্ষে খারাপ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তা হলে কি এসব খাবার পরিহার করতে হবে? কখনই না। তা হলে তো পিছিয়ে পড়তে হয়। যুগের সাথে তাল মেলানো যায় না। সুতরাং, খাওয়ার সীমা জানতে হবে। সব পরিস্থিতির মত এক্ষেত্রেও থামতে জানতে হবে। বাঙালিকে ব্যালান্স করা শিখতে হবে। {ads}

article thumbnail

উপলব্ধিঃ সংস্কৃতি- নিখিল কুমার চক্রবর্তী

সংস্কৃতি শব্দটা খুব গোলমেলে। কখন যে কোন দিকে টার্ণ নেয় বোঝা মুশকিল। মানে, কখন যে কোনটা সংস্কৃতি আর কোনটা অপসংস্কৃতি তা বোঝা খুবই দুরূহ ব্যাপার। আমার বাড়ির সংস্কৃতি অন্য কোন বাড়ির সংস্কৃতি নাও হতে পারে। আবার শহরে যেটা সংস্কৃতি সেটাই হয়ত প্রত্যন্ত গ্রামে অসভ্যতার চূড়ান্ত। উল্টোটাও হতে পারে। ছোটবেলায় দিদির শ্বশুর বাড়ি গেলে এক ভদ্রলোককে দেখলেই ভয়ে পালাতাম। তাকে তখন অসভ্য, বদমাশ লোক বলে মনে হত। অদ্ভূত অদ্ভূত বাংলা শব্দের ইংরাজি প্রতিশব্দ বলতে বলে আনন্দ পেতেন। জটিল সব বাক্যের ইংরাজি অনুবাদ জানতে চাইতেন। একবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "মুরগীর ঝুঁটি ইংরাজি কি?" আর একবার বলেছিলন, "গরুর বাঁটের ইংরাজি জানো?" ভদ্রলোকের এই ব্যবহারটা মোটেই সেই গ্রামের সংস্কৃতি হতে পারে না। এটা মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করে নিজেকে জাহির করার ব্যক্তিগত প্রয়াস। ভদ্রলোকের এই অদ্ভূত মানসিকতার জন্য দিদির শ্বশুর বাড়ির গ্রামের সংস্কৃতিকেই খারাপ বলে মনে হত তখন। কিন্তু আসলে তা নিশ্চয়ই নয়। আমাদের স্কুলবেলায় একটা বিষয় নিয়ে খুব তর্কবিতর্ক হয়েছিল। একজন শিল্পীর গানকে কোন মন্ত্রী "অপসংস্কৃতি" আখ্যা দিয়েছিলেন। তা নিয়ে বাংলা জুড়ে হৈ হৈ। বাংলারই এক স্বনামধন্য ব্যক্তি সে প্রসঙ্গে বলেছিলেন, "যাঁর টেস্ট শহীদ মিনারের মাথায় লাল রঙ লাগানো, তিনি আবার সংস্কৃতির কি বুঝবেন?" আমি দুটো ব্যাপারই বুঝিনি। কেউ একজন কারোর গানকে অপসংস্কৃতি বলতেই পারেন। এটা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। তাতে তো আর সত্যি সত্যিই তা সংস্কৃতির বাউন্ডারির বাইরে চলে যায় না। তা যদি যেত তাহলে সেই শিল্পী এখনও এত জনপ্রিয় থাকতেন না। আবার শহীদ মিনারের মাথায় কি রঙ লাগানো হল তা দিয়েও নিশ্চয়ই ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর সংস্কৃতিমনস্কতার পরিচয় পাওয়া যায় না। একটা বাংলা সিনেমা ( আমার মতে সেটা সিনেমা পদবাচ্য নয়। বড়জোর যাত্রাপালা বলা যেতে পারে) তখন মাসের পর মাস "হাউসফুল" হয়ে রমরমিয়ে চলেছিল। আমার "পেয়ারের বন্ধু" সাধনকে বলেছিলাম, "এমন নিম্নমানের বই এত দিন ধরে চলে কি করে বল তো?" সাধন যা বলেছিল তা এখনও সমান প্রাসঙ্গিক। বলেছিল, "তুই বললেই তো হবে না! এত লোকে দেখছে যখন, তখন বইটা ডেমোক্রেটিক্যালি হিট।" অর্থাৎ  অপসংস্কৃতি নয়। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াল? সংস্কৃতি ব্যাপারটাই কি আপেক্ষিক? হয়ত তাই। আমাদের দেশে নারী পুরুষের প্রিম্যারিট্যাল শারীরিক সম্পর্ক সংস্কৃতির আওতায় পড়ে না। আবার পৃথিবীর অনেক দেশেই এটার গ্রহনযোগ্যতা আছে। আমাদের দেশে বড়দের নাম ধরে ডাকা শোভনীয় নয় (যদিও আস্তে আস্তে তা শুরু হয়েছে)। অথচ পৃথিবীর অনেক দেশে ওটাই সংস্কৃতি। গ্রামে গঞ্জে এখন বাড়ির ছেলে মেয়েরা রাত ন'টার পর বাড়ির বাইরে থাকলে বড়দের কাছে অবধারিতভাবে ধমক খাবে। শহরে নগরে রাত ন'টার পর সন্ধ্যে শুরু হয়। আমাদের সিনেমা আর বিদেশি সিনেমা নিয়ে একজনের কাছে একটা কথা শুনেছিলাম। আমাদের সিনেমায় সারাদিনের কাজকর্ম সেরে স্বামী স্ত্রী রাতে খাওয়া দাওয়া করে যখন ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমোতে যায় তখন বই শেষ হয়। বিদেশের বই ওখান থেকেই শুরু হয়। সব চেয়ে মজার ব্যাপার, আমরা এখনও সিনেমা, বই ইত্যাদি বলতে অভ্যস্ত। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কিন্তু "মুভি" বলতে ভালবাসে। আমরা এখনও ঘনিষ্ঠ কারোর শরীর খারাপের খবর পেলে ছুটে গিয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। অনেকে ফোনেই কর্তব্য সারে। বা, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা জব্বর স্ট্যাটাস! তাহলে? আমরা কি সংস্কৃতির রূপ বদলানো প্রত্যক্ষ করছি না? পোস্ট কার্ড, ইনল্যান্ড লেটার, এনভেলাপ দিয়ে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা শুরু হয়ে, ল্যান্ড ফোন - মোবাইল ফোন হয়ে এখন নেট - হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে পরিবর্তিত হয়নি কি? সংস্কৃতির হাত যত লম্বা হবে মানে, যত প্রযুক্তিনির্ভর হবে তত পুরনো ধ্যান ধারণা পাল্টাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে। প্রযুক্তির কুফল নিয়ে গড়ে ওঠা সংস্কৃতি কোনদিন সমাজজীবনকে সমৃদ্ধ করতে পারে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে যাওয়ার কারণে আজকে বৃদ্ধাশ্রমের প্রয়োজনীয়তা যদি বাড়ে তাহলে এই সংস্কৃতির নিশ্চয়ই কোন গুরুত্ব থাকতে পারে না। মূল্যবোধের ওপরে গড়ে ওঠা সংস্কৃতির মূল্য আগে ছিল, এখনও আছে। কোন দেশ, কোন সমাজ, কোন পরিবারের নিজস্ব আদর্শ, মূল্যবোধ, সংস্কৃতি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। সেটা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পরিমার্জিত এবং পরিশীলিত হবে এটাও স্বাভাবিক। অস্বাভাবিক তখনই, যখন এটার গতিমুখ পাল্টে গিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় নেগেটিভ মানসিকতার জন্ম দিয়ে চলে গতিহীনভাবে। {ads}

article thumbnail

উপলব্ধিঃ মার্কেটিং- নিখিল কুমার চক্রবর্তী

উপলব্ধি  (মার্কেটিং) আমাদের বড়বেলায় (বুড়োবেলায় নয়) মার্কেটিং বলতে এম বি এ কোর্সের একটা শাখাকে বুঝতাম। জেনেছিলাম, বাজার সংক্রান্ত পড়াশোনা হয় সেই শাখায়। মনোপলি মার্কেট, কম্পিটিটিভ মার্কেট ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই সব মার্কেটে দ্রব্যের মূল্য কিভাবে ঠিক করা হবে, কখন দ্রব্য বাজারে নিয়ে যেতে হবে -- এই সব ব্যাপার না কি পড়ানো হয় সে শাখায়! আরো অনেক কিছু নিশ্চয়ই পড়ানো হয়। তবে সে সবে গুরুত্ব দিতাম না। মার্কেটিং ব্যাপারটা নিয়ে এত গুরুত্ব দেওয়ার বিষয় সেটা ছিল না তখন। পাকাবেলায় এসে নিজে কস্টিং পড়তে গিয়ে জানলাম মার্কেটিং এত সহজ বিষয় নয়। মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টকে তখন একটু অন্য চোখে দেখতে আরম্ভ করলাম। আরো বিশদে জানার চেষ্টা করলাম। আসলে তখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারি নি যে মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টটাই বর্তমান সমাজে আসল ম্যানেজমেন্ট। সেটা বুঝতে বুঝতেই মাথায় চকচকে টাক। যাই হোক, জানতে জানতেই কস্টিং কমপ্লিট হয়ে গেল। সবাই ভাবল আমি মার্কেটিং ব্যাপারটায় খুব দক্ষ হয়ে গেছি। কিন্তু আমি তো নিজেকে চিনি। বাজারের থলি হাতে বেরুলেই বুঝতে পারি, মার্কেটিংয়ের "ম" ও জানি না। পুঁই শাক কিনলে যে সাথে কুমড়ো কিনতে হয় তা মাথায় থাকে না। শুক্তোর বাজার করতে গৃহিণী ঠেলে পাঠালে হয় উচ্ছে না হয় কাঁচা কলা আনতে ভুলে যাবই। দামের কথা না ই বা বললাম। সব্জি বিক্রেতা আমার থেকে ভাল মার্কেটিং বোঝে। আমাকে দেখেই বলে উঠে, "আসুন দাদা, কত দিন পরে এলেন। শরীর ভাল তো? বাড়ির সবাই ভাল তো?" আমি গদগদ হয়ে যাই। কি ভাল লোক! আমার কত খেয়াল রাখে! সে আবার বলে, "পটল এক কিলো দিচ্ছি দাদা। হাজিগড়ের মাঠের টাটকা পটল। আপনি তো জানেন আমরা নিজেরাই চাষ করি। সত্তর টাকা কিলো বেচছি। আপনি ষাট করে দেবেন।" খুব খুশী হয়ে পটল কিনে বাড়িতে ফিরে গৃহিণীকে সব বলতেই খাঁটি সরষের তেলের ঝাঁঝ বেরিয়ে আসে। "ঐ ছেলেটার বাড়ি হাজিগড়ে? নিজেরা চাষ করে? তোমাকে ঢপ দিল আর তুমি মেনে নিলে? ওর বাড়ি তো এই বর্ধমানেই। মেহেদিবাগানে। বাপের জন্মে কোনদিন চাষের মাঠে পা দিয়েছে?" এর পর দাম শুনে আরো উগ্র ঝাঁঝ। "সে কী গো? আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়া গলা কাটা সব্জির ভ্যানবালাগুলোও তো অত দাম নেয় না। পঞ্চাশ টাকা কিলো নেয়। হায় হায়! কি একটা গাড়োলের সাথে যে বাবা আমার বিয়ে দিয়েছে!" এর পরে স্বভাবতই স্থান ত্যাগ করা উচিত। এবং আমিও "সাকসেসফুল রিট্রিট" করি। কি যে হয় আমার! পরের বার বাজার গিয়ে আবার তার কাছে যাই। আবার সব্জি কিনি। আবার ঠকি। "ল অব ডিমিনিশিং রিটার্ণ" কাজই করে না। যখন একটু আধটু ছেড়ে একটু বেশিই লিখতে শুরু করলাম তখন "সাহিত্যের গৃহিণীপনা" বলে একটা কথা শুনেছিলাম। অর্থাৎ শুধু লিখলেই হবে না, তা গ্রন্থাকারে বা অন্য যেভাবে হোক পাঠকের হাতে যথোপযুক্ত(?) মূল্যে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এটা না পারলে যত ভালই লেখা হোক, কেউ পাবলিশ করবে না। নিজের জীবনে প্রত্যক্ষ্য করছি এটা। তা, এটা কি মার্কেটিং নয়? মার্কেটিং হল সেই প্রজাতির প্রাণী যা সিচুয়েশন অনুযায়ী নিজের রূপ ও স্বভাব পাল্টাতে পারে। এখন ব্যাপারটা আরো ঘোরালো হয়ে গেছে। কর্পোরেট হসপিটাল, মিডিয়া হাউস, কর্পোরেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এন জি ও প্রভৃতি সবাই একটা করে মার্কেটিং উইং রাখছে। "বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সুচ্যগ্র মেদিনী"। সবাইকে বাজার ধরতে হবে। হসপিটালে পেশেন্ট বেশি আনতে হবে, মিডিয়াতে বেশি বিজ্ঞাপন আনতে হবে, স্কুল কলেজে বেশি ছাত্র ছাত্রী আনতে হবে, এন জি ওকে বেশি সেবা প্রদান করতে হবে ইত্যাদি। লিস্ট বাড়ালেই বাড়বে। কত আর বলব! সেটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল, এই বাজার ধরার খেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কে হচ্ছে? এই খেলায় মাততে গিয়ে কোয়ালিটির সাথে, পরিষেবার সাথে কমপ্রোমাইজ করছি না তো আমরা? তা যদি হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সমাজ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনজীবন। একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই। প্রায়ই আমরা খবর পাই, দুটো বাসের রেষারেষিতে জানলার ধারে বসে থাকা এক ব্যক্তির হাত কেটে রাস্তা পড়ে গেছে। জোরে ছুটতে গিয়ে দুটো বাস এত পাশাপাশি এসে গিয়েছিল যে ঘষটানিতে এই দুর্ঘটনা। তা, বাস দুটো এমন বেপরোয়াভাবে ছুটছিল কেন? ঘুরেফিরে সেই মার্কেটিং। একই রুটের দুটো বাসকেই বাজার ক্যাপচার করতে হবে। মুনাফা লুটতে হবে। আমরা পড়েছিলাম, বাজারে টিকে থাকার জন্য প্রথম দিকে কোন দ্রব্যের বাজার মূল্য দ্রব্যটি তৈরি করার খরচের থেকেও অনেকসময় কম রাখতে হয়। এখন ব্যাপারটা উল্টো বলে প্রতীয়মান হয়। প্রথমেই বেশি দামে দ্রব্য বাজারে নিয়ে এস, হেব্বি হেব্বি নায়িকাদের দিয়ে বিজ্ঞাপনে টিভির পর্দা কাঁপিয়ে দাও, প্রমাণ করে দাও এই বেশি দামে কেনাটাই স্ট্যাটাস সিম্বল। এর পরে পাবলিকে দ্রব্যটি খাবেই খাবে। পোস্ত এখন মহার্ঘ বস্তু। আগে মাসে এক কেজি পোস্ত যারা কিনত এখন মাসে একশ গ্রামে কাজ চালায়। দাম বেড়েছে মানে পোস্তর মান ভাল হয়েছে তা কিন্তু নয়। আমার দোকানদার জানাল অনেক অসাধু ব্যবসায়ী এক ধরনের শস্যবীজ পোস্তয় মিশিয়ে দিচ্ছে। কম পোস্ত বেচে বেশি লাভ। ওর কাছে আসল নকল দুটো পোস্তই আছে। আমি চাইলে নকলটা নিতে পারি। কিন্তু সেটা আমার শরীরের জন্য ঠিক হবে না। অাসলটার দাম একটু বেশি হলেও ওটাই নেওয়া ভাল। (মার্কেটিং এর সম্ভ্রান্ত নমুনা।) সুতরাং বেশি দামে পোস্ত কিনে পলিপ্যাকে নিয়ে সবাই কে দেখাতে দেখাতে বাড়ি ফিরলাম। এটাও মার্কেটিং। পোস্ত কিনেছি মানে, আমি অনেক বড় "হনু"। সেটা সবাইকে জানানো হল। আমার বাজার দর বাড়ল। টি আর পি বাড়াও আর মজায় থাকো। এই আদর্শে এখন চলছি আমরা। বলা ভুল হল। চলছি না, ছুটছি। হয়ত অপেক্ষায় আছি, ছুটতে গিয়ে কখন হোঁচট খেয়ে পড়ব। তারপর হয়ত পিঠদৌড় দিয়ে মূল স্রোতে ফিরব। কারণ ইতিহাস সাক্ষী, আজ পর্যন্ত হঠাৎ গজিয়ে ওঠা কোন কিছুই চিরস্থায়ী হয় নি।

article thumbnail

উপলব্ধিঃ সম্পর্ক- সম্পর্ক- নিখিল কুমার চক্রবর্তী

উপলব্ধি  (সম্পর্ক) খুব ছোট্টবেলায় পড়াশোনার পাঠ আমাদের ছিল না বললেই চলে। বাবা মায়ের কাছে শোনা, প্রথম ইস্কুলে গিয়েছিলাম পাঁচ বছর বয়সে। ইনফিন ক্লাসে। সেখান থেকে ডবল প্রমোশন পেয়ে এক লাফে ক্লাস টু তে। ঐ সময়েই শিখেছিলাম, ইস্কুলে মাস্টারমশাইরা সবাই গুরুজন। তাঁরা যা বলবেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হয়। এমন কি রোজ নিয়ম করে গাঁট্টা বা বেত্রাঘাত দিলেও মুখ বুজে সহ্য করতে হয়। আর সহপাঠীরা সবাই বন্ধু। তাদের সাথে সবকিছু শেয়ার করতে হয়। মিলেমিশে থাকতে হয়। সহপাঠী মানে শুধু নিজের ক্লাসের ছেলেমেয়েরা নয়। নীচে বা ওপরের ক্লাসের ছেলেমেয়েরাও সহপাঠী এবং বন্ধু। তাই করতামও আমরা। আজও তাই সেইসব মাষ্টারমশাই বা সহপাঠীদের সাথে সুসম্পর্ক বর্তমান। এখন চারিদিকে অন্যচিত্র। মাষ্টারমশাইদের গুরুজন মানা হয় কি না, জানি না। তবে ছাত্র ছাত্রীদের গায়ে হাত তোলার অধিকার তাঁদের নেই। রে রে করে লোকাল দাদা, জাতীয় নেতা, মানবাধিকার কমিশন, মিডিয়া ইত্যাদি যত প্রতিষ্ঠান বা পরিত্রাতা আছে সবাই টি আর পি বাড়ানোর ময়দানে নেমে পড়বে। এখন সবাই জানে, পাবলিকে কি খায়! যা খায়, তাই খাওয়াতে হবে তো না কি! সহপাঠীরাও কেউ বন্ধু নয় এখন। প্রতিযোগী। কারোর সাথে কিছু শেয়ার করতে নেই। তাহলে সেও ভাল নম্বর পেয়ে যাবে। প্রতিযোগী তৈরি হয়ে যাবে। এখন কেউ চায় না, ময়দানে তার কোন প্রতিযোগী থাকুক। সে ইস্কুল, চাকরির জায়গা বা রাজনীতির ময়দান যাই হোক না কেন! নারী পুরুষের সম্পর্কও আর নির্ভরশীলতা, বিশ্বাস বা ভরসার সম্পর্কে আটকে নেই। সভ্যতার ঝকমকানিতে সে সম্পর্কেও এখন পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেয়ে পারস্পরিক স্বার্থসিদ্ধির আগ্রহ বেশি। এই সম্পর্কটা অনেকটা দাঁত আর জিভের মধ্যেকার সম্পর্কের মত হয়ে গেছে। সুযোগ পেলেই একে অপরকে কামড়ে দেয় বা আঘাত দেয়। দাঁত যেমন সুযোগ পেলেই জিভের রক্ত বের করে দেয়, তেমনি দাঁত দুর্বল হলেই জিভ তাকে ঠেলে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে দাঁত আর জিভের মধ্যে কোনটা নারী আর কোনটা পুরুষ তা নির্ধারণ করা খুব কঠিন। দাঁত যেহেতু জিভের পরে জন্মায়, মানে, জিভের থেকে বয়সে ছোট তাই সামাজিক নিয়মে দাঁতকেই নারী ধরে নেওয়া যেতে পারে। তাছাড়া, চরিত্রগত মিলের জন্যও দাঁতকেই নারী ভাবা বাঞ্ছনীয়। আর একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য। নারী পুরুষের যৌথ প্রচেষ্টাতেই সমাজ বা সংসার টিকে থাকবে এ বিষয়ে দ্বিমত থাকা উচিত নয়। আগেকার সম্পর্কে পুরুষ বহির্জগতে ব্যপ্ত থাকলে নারী অন্দরমহল সামলাত। এটা "ডিভিশন অব লেবার" ছাড়া আর কিছুই নয়। এতে পরবর্তী প্রজন্ম উপকৃত হত বেশি। এখন দুজনেই বহির্জগতে ব্যপ্তদ হয়ে যাওয়ায় পরবর্তী প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে না তো? "ডিভিশন অব লেবার" যে আমাদের সমাজে সম্পর্ক তৈরিতে অনেককটাই ভূমিকা নিত বা নেয় তা অস্বীকার করার কোন উপায়ই নেই। সেই মুনি ঋষিদের সময়েই "ডিভিশন অব লেবার" এর ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছিল "বর্ণাশ্রম" প্রথা। লেখাপড়া শেখা বুদ্ধিমান ব্রাহ্মণরা পুজোআচ্চার কাজ করবে, শারীরিকভাবে শক্তিশালী ক্ষত্রিয়রা দেশ রক্ষার কাজ করবে, বৈষয়িক বুদ্ধিসম্পন্ন বৈশ্যরা ব্যবসাবানিজ্য করবে, আর বাকিরা সব শূদ্র। তারা অন্যান্য কাজ করবে। এমন কি এদের বৈবাহিক সম্পর্কও নিজেদের গ্রুপের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন ও সব বালাই নেই। ব্রাহ্মণ সন্তান দেশরক্ষার কাজ করছে আবার ব্যবসাবানিজ্যও করছে। ক্ষত্রিয়, বৈশ্য সবাই সবার কাজ করছে। তাহলে বৈবাহিক সম্পর্কও শুধুমাত্র নিজেদের গ্রুপে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। থাকছেও না। অর্থাৎ, এক্ষেত্রেও সম্পর্কের সজ্ঞা পাল্টাচ্ছে। যুগোপযোগী হচ্ছে সম্পর্ক। তাই যদি হয়, তাহলে ইস্কুলে, চাকুরিস্থলে, রাজনীতির ময়দানে সর্বত্র সম্পর্ক যে অনেকটা প্রতিযোগীতামূলক হয়ে যাচ্ছে তাও কি সময়ের দাবীতে? মানুষের সাথে মানুষের, মানুষের সাথে অন্য প্রাণীর বা মানুষের সাথে প্রকৃতির পারস্পরিক নির্ভরশীলতা আর বোঝাপড়ার সম্পর্কের বদলে শুধুই কি স্বার্থসুখের সম্পর্ক নিয়ে বেঁচে থাকব আমরা? এতে "ইকোসিস্টেম" বজায় থাকবে তো? বজায় থাকবে তো প্রকৃতিনির্ভর মানবের সমাজ আর সভ্যতা? মনে হয়, কেউই এর উত্তর খুঁজতে আগ্রহী নয়। আগ্রহী হলে সম্পর্কের চরম অবনতি নিয়ে আমাদের বেঁচে থাকতে হত না। পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে তার বয়স্ক আত্মীয়ের ধর্ষণের বা পুত্র অথবা কন্যার হাতে পিতা/মাতা খুন হওয়ার খবর পরেও আমরা নিশ্চুপ থাকতাম না। এ এক অবক্ষয়ের সম্পর্কের, মূল্যবোধহীনতার সম্পর্কের আবর্তে ঘুরে মরছি আমরা।

article thumbnail

নবান্নের লড়াই

আরো পড়ুন

কোভিড আতঙ্কের মাঝেই কেমন হল রাজ্যের অন্তিম দফার নির্বাচন ?

বিকেল ৫টা পর্যন্ত গড়ে মোট ভোট পড়েছে ৭৬.০৭ শতাংশ। মালদায় ভোট পড়েছে ৮০.০৬ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৮.০৭ শতাংশ। এছাড়াও বাকি দুই বিধানসভা জেলায় অর্থাৎ বীরভূম এবং কলকাতা উত্তরে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৮১.৮৭ এবং ৫৭.৫৩ শতাংশ। আজকের দিনে রাজ্যের শেষ দফা নির্বাচনের ছবিটা মিলিয়ে মিশিয়ে। সকাল থেকে একাধিক যায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়ে। আবার বেশ কিছু যায়গায় শান্তিপূর্ন ভোট হলেও স্বয়ং বুথ কর্মী ও পোলিং এজেন্ট রাই অভিযোগ করছেন মানা হচ্ছেনা করোনাবিধি, বজায় থাকছেনা সামাজিক দূরত্বও।  {link} আজকে সকাল থেকেই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন যায়গা থেকে বিক্ষোভের খবর আসতে থাকে। বেলেঘাটা ও মানিকতলার নাম উঠে আসে বিশেষভাবে। অন্যদিকে জোড়াসাঁকোয় বুথে অভিযোগ উঠেছে কোভিড বিধি না মেনে চলার। বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়কে তাড়া করা হয় বাঁশ নিয়ে। সেইখানে উন্মত্ত জনতা ভেঙে দেয় তার গাড়ির কাঁচ। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সংবাদমাধ্যম সহ সোশ্যাল মিডিয়াতে। বোলপুরের ইলামবাজারের এই কান্ড নিয়ে যথেষ্ট উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। এছাড়াও শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের সেই মর্মান্তিক ঘটনার পর আজ সেই কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচন ছিল। এবারে ভোট শান্তিপূর্নই হয়েছে। রাজ্যে আজকে অবশেষে আটটি দফা সম্পূর্ন হওয়ার সাথে সাথেই সম্পূর্ন হল রাজ্যের ভোটগ্রহন পর্ব। কোথাও গিয়ে আজকের ভোটে মানুষের মধ্যে করোনা আতঙ্কের চিত্রটা অনেকটাই স্পষ্ট ছিল। এবার অপেক্ষা শুধু ফলপ্রকাশের।  {ads}

article thumbnail

বেলা ১টা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে ৫৬.১৯ শতাংশ, বিক্ষিপ্ত অশান্তির মাঝেই চলছে অন্তিম দফার নির্বাচন

আজ রাজ্যে অন্তিম দফা অর্থাৎ অষ্টম দফার নির্বাচন। প্রথম সাতটি দফা সম্পূর্ন হওয়ার পর আজ অষ্টম দফায় নির্বাচনী লড়াই ৪টি জেলার মোট ৩৫টি বিধানসভা কেন্দ্রে। যার মধ্যে মালদহের ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে, মুর্শিদাবাদের ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে, বীরভূমের ১১টি এবং কলকাতার ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে। আজকেই রাজ্যে গণতান্ত্রিক উৎসবের শেষ দিন। কিন্তু ভোটের আবহে আজ অনেকটাই আতঙ্ক রয়েছে করোনার। বাড়তে থাকা মারণ ভাইরাসের প্রকোপে অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে একুশের বিধানসভা নির্বাচন। সকাল থেকেই সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহন শুরু হয়েছে। কিন্তু সকাল থেকেই বিভিন্ন যায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর ভেসে আসছে।  {link} আজ অর্থাৎ ২৯শে মে অষ্টম দফার নির্বাচনে যে কটি কেন্দ্রে বিশেষভাবে নজর থাকবে তার মধ্যে কলকাতার মানিকতলা, জোড়াসাঁকো, বেলেঘাটা অন্যতম। সকাল থেকেই বেলেঘাটা ও মানিকতলায় বিভিন্ন যায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর আসছে। এছাড়াও বিশেষ নজর থাকবে বোলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে, অনুব্রত মন্ডলকে গতকাল থেকেই নজরবন্দী করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। অজ ইতিমধ্যেই তিনি বাইকে চড়ে এসে তার ভোটও দিয়ে গেছেন। এছাড়াও যেসব কেন্দ্রে নজর থাকবে তার মধ্যে রয়েছে মানিকচক, মালদহ, ইংলিশবাজার, বহরমপুর, জলঙ্গি ইত্যাদি। আজকের ৩৫টি আসনেই লড়াই খুব জোরদার, সকালে টুইট করে বিপুল ভোটের ডাক দিয়েছেন অমিত শাহ, কোভিড বিধি মেনে চলার কথা বলেছে নরেন্দ্র মোদী। বেলা ১টা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে ৫৬.১৯ শতাংশ।  {ads}

article thumbnail

বেলা ১টা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে ৫৫.১২ শতাংশ, চলছে সপ্তম দফার নির্বাচনের ভোটগ্রহন

একে একে মোট ছয় দফা সম্পূর্ন হওয়ার পর আজ রাজ্যে সপ্তম দফার নির্বাচন। আজ অর্থাৎ ২৬শে এপ্রিল ভোট পশ্চিমবঙ্গের ৪টি জেলার মোট ৩৬টি কেন্দ্রে। যার মধ্যে মালদহে ৬টি আসনে, মুর্শীদাবাদে নির্বাচন ১১টি আসনে, পশ্চিম বর্ধমানের ৯টি এবং কলকাতা ও দক্ষিন দিনাজপুরে যথাক্রমে ৪ ও ৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ নির্বাচনী লড়াই। সকাল থেকেই ভোটগ্রহন শুরু হয়েছে সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে। কিন্তু করোনার দাপটে অনেকটাই ম্লান হয়ে উঠেছে গনতান্ত্রিক উৎসব। কড়া পাহারার মধ্যেও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর থাকলেও মোটামুটি ভাবে ভোট হচ্ছে শান্তিপূর্ন ভাবেই।  {link} আজকের সপ্তম দফার নির্বাচনী লড়াইয়ে যে সকল কেন্দ্রের দিকে বাংলার মানুষের বিশেষ নজর থাকবে তার মধ্যে একটি অবশ্যই আসানসোল দক্ষিন একদিকে তৃণমূলের প্রার্থী সায়নি ঘোষ আর অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অগ্নিমিত্রা পাল। সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে বুথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সায়নি ঘোষ। কয়েকটি যায়গায় তার সাথে পুলিশের বচসাও বেঁধেছে বলে সূত্রের খবর। এছাড়াও নজর থাকবে ভবানীপুর, মুর্শিদাবাদ, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ ও পান্ডবেশ্বর সহ সাগরদিঘী ও আরও বিভিন্ন কেন্দ্রে।  {ads}

article thumbnail

রাতভর চলেছে বোমাবৃষ্টি, সকালেও উদ্ধার বোমা, ভোটের দিনে উত্তপ্ত ব্যারাকপুর

ষষ্ঠ দফার নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনা।ভোটের আগের রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর লোকসভার অন্তর্গত্ আমডাঙা বিধানসভা কেন্দ্রে রাতভর বোমাবাজি চলে।এলাকার থানীয় বাসিন্দাদের মতে আমডাঙ্গা বিধানসভার সাধনপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত রাহানা এক নম্বর এলাকায় রাত বারোটা নাগাদ বোমাবাজি হয়। তার উপর আজকে ফের ষষ্ঠ দফার ভোট শুরু হওয়ার সাড়ে ৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারও তাজা বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পডে আমডাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রের রংমহল ৮৩ নম্বর বুথের বাইরে।স্বাভাবিক ভাবেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিপুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সধারন মানুষের মধ্যে।  {link} স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ আই এস এফ এর কর্মীরা এই তাজা বোমা রেখেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আমডাঙা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে এবং বোম স্কোয়ার্ডকে খবর দেওয়া হয়েছে বোমা-গুলি কে উদ্ধার করার জন্য। এছাড়াও প্রায় ১০ থেকে ১২ টি বোমা ফাটানো হয়েছে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই বোমা ফাটিয়েছে তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে আমডাঙা থানার পুলিশ। {ads}

article thumbnail

বেলা ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৭.৩ শতাংশ, শান্তিপূর্নভাবেই চলছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন

পঞ্চম দফা পর্যন্ত নির্বাচন সম্পূর্ন হওয়ার পর আজ রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। আজ ভোট মোট ৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে। উত্তর ২৪ পরগনার ১৭টি আসনে, নদীয়ার ৯টি আসন সহ পূর্ব বর্ধমানের ৮টি ও উত্তর দিনাজপুরের ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ নির্বাচনী লড়াই। সকাল থেকেই শান্তিপূর্নভাবে সমস্ত কেন্দ্রে ভোটগ্রহন চলছে। {link} আজ যে সমস্ত কেন্দ্রে জমাটি লড়াইয়ের সাক্ষী থাকতে পারে বাংলার মানুষ, তার মধ্যে অন্যতম কেন্দ্রে কৃষ্ণনগর উত্তর। মুখোমুখী লড়াইয়ে মুকুল রায় ও কৌশানি চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ভাটপাড়া, চোপড়া, ইসলামপুর, করনদিঘি, রায়গঞ্জ, ইটাহার, নবদ্বীপ, বনগাঁ উত্তর ও দক্ষিণ উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র। এর পাশাপাশি হাবড়া, ব্যারাকপুর, দমদম উত্তর সহ পূর্বস্থলীর দুই কেন্দ্রেও রাজ্যের মানুষের নজর থাকবে। সকাল থেকে কিছু যায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর থাকলেও মোটামুটিভাবে শান্তিপূর্ন ভাবেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজ্যের ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। বেলা একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৭.৩ শতাংশ।  {ads}

article thumbnail

তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে রনক্ষেত্র সল্টেলেকের শান্তিনগর, ইটবৃষ্টি

আজ গনতন্ত্রের উৎসবের পঞ্চম দফা। সেই পঞ্চম দফা নির্বাচনেই রনক্ষেত্র হয়ে উঠল সল্টলেক। আজকে সকাল থেকেই উত্তেজনার আবহ সল্টলেকের শান্তিনগর এলাকায়। দুই পক্ষের হাতাহাতি ও ইটবৃষ্টিতে রনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এলাকা। দীর্ঘক্ষন অশান্তির পরিবেশ থাকার পর সেই স্থানে এসে পৌছায় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। একজন মহিলা ভোটারকে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।  {link} স্থানীয় সূত্রের খবর বেলা ১০টা নাগাৎ হঠাতই সল্টলেকের শান্তিনগর এলাকায় পারস্পরিক বচসায় জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। সেই বচসাই ক্রমে হাতাহাতির আকার ধারন করে। ইটবৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও ধুন্ধুমার হয়ে ওঠে। গোটা রাস্তা ইটে ভরে যায়, এমনকি মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে দুই পক্ষেরই বেশ কিছুজন জখম হয়েছেন। দুই পক্ষই দুই পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রনে। পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হতেই মাইকিং করে জমায়েত হটানোর চেষ্টা করা হয়। ভোটারদের বুথে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি বহিরাগতদের এলাকা থেকে বের করে দেয় পুলিশ। {ads}

article thumbnail